রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের ওপর স্থানীয়দের হামলার ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা ব্যয় বহন করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সেই সঙ্গে গুরুতর আহত শিক্ষার্থীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনে ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থাও করবে তারা।
আজ সোমবার দুপুরে ব্রিফিংকালে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির। উপাচার্য বলেন, এ ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা ব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বহন করবে। বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৯ জন শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন। তাঁদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের প্রয়োজনে আমরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠাব।
এর আগে গত শনিবার বিকেলে বগুড়া থেকে মোহাম্মদ পরিবহনের একটি বাসে রাজশাহী আসছিলেন রাবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আল আমিন আকাশ। বাসের সিটে বসাকে কেন্দ্র করে গাড়িচালক শরিফুল ও তাঁর সহযোগী রিপনের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় আকাশের। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিনোদপুর বাজারে বাস থেকে নামার সময় তাঁদের মধ্যে আবারও কথা-কাটাকাটি হয়। এ সময় বিনোদপুর বাজারের একজন ব্যবসায়ী বাসচালকের পক্ষ নিয়ে কথা বলেন। তখন আকাশসহ বিনোদপুর বাজারে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া রাবির কয়েক শিক্ষার্থীর সঙ্গে গাড়ির চালক, তাঁর সহযোগী ও বাজারের ব্যবসায়ীর কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়।
খবর পেয়ে সেখানে যান রাবির শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া। এ সময় ব্যবসায়ীরা তাঁর মোটরসাইকেলটি ভাঙচুর করেন এবং ধাওয়া দিয়ে তাঁকেসহ শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসের ভেতরে ঢুকিয়ে দেন। এতেই ঘটনা বড় হয়ে যায়। সাধারণ শিক্ষার্থীরা আবাসিক হল থেকে বের হয়ে বিনোদপুর গেটের পাশে অবস্থান নেন। শুরু হয় সংঘর্ষ। কয়েক দফায় চলে সংঘর্ষ। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আড়াই শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন।
আরও পড়ুন: