হোম > সারা দেশ > রাজবাড়ী

পদ্মায় ধরা পড়ল সাড়ে ১৭ কেজি ওজনের সিলভার কার্প

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে সাড়ে ১৭ কেজি ওজনের সিলভার কার্প মাছ। পরে মাছটি ১১ হাজার ৩৭৫ টাকায় বিক্রি হয়। আজ শনিবার সকালে ৭ নম্বর ফেরিঘাটের অদূরে পদ্মা নদী থেকে মাছটি ধরেন জাফরগঞ্জ এলাকার স্বদেব হালদার। 

মাছটি বিক্রির জন্য স্বদেব হালদার সকাল ৯টার দিকে দৌলতদিয়া বাজারে অবস্থিত মোহন মন্ডলের মৎস্য আড়তে নিয়ে আসেন। পরে সেখান থেকে ৫ নম্বর ফেরিঘাট এলাকার মাছ ব্যবসায়ী সোহেল মোল্লা উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে মাছটি ৬৫০ টাকা কেজি দরে মোট ১১ হাজার ৩৭৫ টাকা দিয়ে মাছটি কেনেন। সে সময় মাছটি একনজর দেখার জন্য ভিড় করেন উৎসুক জনতা। 

মাছ ব্যবসায়ী সোহেল মোল্লা বলেন, সিলভার কার্প মাছটি আড়ত থেকে কিনে মোবাইলের মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করা হচ্ছে। ১০০ থেকে ২০০ টাকা কেজিতে লাভ পেলে মাছটি বিক্রি করা হবে। 

জেলে স্বদেব হালদার বলেন, ‘আমরা শনিবার খুব ভোরে মাছ ধরতে নদীতে যাই। দীর্ঘক্ষণ জাল ফেলে কিছু না পেয়ে হতাশ হই। সকাল ৭টার দিকে জাল তুলতেই দেখি বড় এই মাছটি আটকা পড়েছে। অনেক দিন পর বেশ বড় একটি মাছ পেয়ে অনেক ভালো লাগছে। মাছটির ভালো দামও পেয়েছি।’ 

গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা টিপু সুলতান বলেন, এখন মাঝেমধ্যে পদ্মা নদীতে বড় বড় মাছ ধরা পড়বে। পানি বাড়ার কারণে এ ধরনের মাছ নদীতে পাওয়া যাবে। 

টিপু সুলতান আরও বলেন, নদীতে পানি বেশি থাকলে পাঙাশ, রুই, কাতল, বোয়াল, বাগাড়সহ  দেশীয় বড় প্রজাতির মাছ আরও ধরা পড়বে। তবে সিলভার কার্প মূলত পুকুরের মাছ। এই মাছ নদীতে ধরা পড়ায় অনেকেই অবাক হয়েছেন। আগামী প্রজন্মের জন্য এই মাছের স্থায়ী অভয়াশ্রম করা গেলে বংশ বৃদ্ধি পাওয়াসহ এই মাছ আরও বেশি পাওয়া যাবে। 

ঘন কুয়াশায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ

মাহিন্দ্রচাপায় প্রাণ গেল কৃষকের

ঘন কুয়াশায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ

জমির আইল কাটা নিয়ে দুই ভাইয়ের মারামারি, প্রাণ গেল কৃষকের

রাজবাড়ীতে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা

রাজবাড়ীতে ভ্যানে ট্রাকের ধাক্কা, যুবক নিহত

সুদানে হামলা: নিহত শান্তিরক্ষী শামীমের বাড়িতে কান্নার রোল

পদ্মায় ড্রেজিং চলায় দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাট বন্ধ

পদ্মায় ধরা পড়া কাতল মাছের দাম ১ লাখ ৮ হাজার টাকা

বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের কর্মবিরতি: অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে তুমুল বাগ্‌বিতণ্ডা