পটুয়াখালীতে কারাবন্দী ছাত্রলীগ (নিষিদ্ধ) নেতা শফিকুল ইসলাম খান মারা গেছেন। আজ শুক্রবার কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নেয় কর্তৃপক্ষ। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।
শফিকুল ইসলাম খান উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত হাবিবুর রহমান খানের ছেলে এবং দুমকী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি।
রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর গত বছরের ১১ আগস্ট তিনি গ্রেপ্তার হন, পরে পুলিশ তাঁকে আদালতের মাধ্যমে পটুয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠায়। তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মামলা ছিল বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
বর্তমানে শফিকুল ইসলাম খান মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে এবং প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পটুয়াখালী কারাগারের চিকিৎসক মো. জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, শফিকুল ইসলাম খান দীর্ঘদিন ধরে হৃদ্রোগে ভুগছিলেন। এর আগে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বরিশাল এবং পরবর্তীকালে ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। সেখান থেকে পুনরায় পটুয়াখালীতে আনা হয়। তাঁর শারীরিক অবস্থা বেশ কিছুদিন ধরেই আশঙ্কাজনক ছিল।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী কারাগারের জেলার মো. আব্দুর রব মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তার হার্টে ব্লক ছিল। প্রায়ই চিকিৎসার জন্য বাইরে পাঠানো হতো। বিকেল আনুমানিক ৪টা ২০ মিনিটে অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে বরিশালে পাঠানো হলে সেখানেই তিনি মারা যান। মরদেহের প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’