পাবনার বেড়ায় সুস্মিতা খাতুন (১৭) নামের এক কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে পরিবারের সদস্যরা ঘর থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
সুস্মিতা বেড়া পৌর এলাকার স্যানালপাড়া মহল্লার জাহিদুল ইসলামের মেয়ে এবং বেড়া ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয় ও পরিবারের সদস্যরা জানান, ওই কলেজছাত্রীর সঙ্গে সাঁথিয়া উপজেলার সোনাতলা গ্রামের আশিকের (১৯) মোবাইল ফোনে পরিচয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। সম্প্রতি আশিক তার বাবাকে দিয়ে মেয়ের বাবার কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠান। সুস্মিতার বাবা সেই প্রস্তাব গ্রহণ না করে আশিকের বাবাকে ফিরিয়ে দেন। বিষয়টি নিয়ে আশিক ক্ষিপ্ত হন। মঙ্গলবার কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে সুস্মিতার পথরোধ করে বাগ্বিতণ্ডা করেন আশিক। একপর্যায়ে সুস্মিতার কিল ঘুষি ও শক্ত কিছু দিয়ে আঘাত করেন আশিক। এতে সুস্মিতা আহত হন।
এদিকে আহত সুস্মিতা বাড়ি ফিরে ঘটনাটি তার মাকে জানালে তিনি বকা দেন। পরে অভিমানে নিজ ঘরের দরজা বন্ধ করে আড়ার সঙ্গে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন।
সুস্মিতার বাবা জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আশিক আমার মেয়েকে মারপিট করায় সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। অভিমানে সে আত্মহত্যা করেছে। আমি আশিকের শাস্তি চাই।’
বেড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আশিককে আটকের জন্য অভিযান চলছে। তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি।