পাবনায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও ৭ জন। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত সময়ে তাঁরা মারা যান। এ সময়ে নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ২৩০ জন। পাবনা জেনারেল হাসপাতালের পরিসংখ্যানবিদ সোহেল রানা এসব তথ্য জানান।
সোহেল রানা জানান, মৃতদের মধ্যে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন তিনজন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন একজন। এ ছাড়াও সদরে দুই এবং ফরিদপুরে একজন মারা গেছেন।
মৃত ব্যক্তিরা হলেন, আতাইকুলা এলাকার তফিক উদ্দিনের ছেলে রইচ উদ্দিন (৫৬), বাংলাবাজার এলাকার আফসার আলীর স্ত্রী সবুরন নেছা (৬০), নাটোর জেলার রাজাপুরের কাশেম আলীর ছেলে সানোয়ার হোসেন (৬৮), ফরিদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাপ হোসেন গোলাপের মেয়ে শিমুল খাতুন (৩৮), শামসুল হুদা ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক মীর মনেয়ারা হোসেনের মা শেফালি আক্তার (৪৫)। এ দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া পাবনার একজনের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
পাবনার সিভিল সার্জন অফিসের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা অংশু প্রতীম বিশ্বাস জানান, গেল ২৪ ঘণ্টায় পাবনায় ২৩০ জন আক্রান্ত হয়েছে। মোট শনাক্ত হয়েছে আট হাজার ১২৯ জন। মোট মৃত্যুবরণ করেছে ৩০ জন। প্রায় তিন হাজার ৫০০ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতাল ও বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
২৫০ শয্যার পাবনা জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক ডা. সালেহ মোহাম্মদ আলী বলেন, করোনা প্রভাব দিনদিন বৃদ্ধি পেলেও লোকজনের মধ্যে তেমন সচেতনতা নেই বললেই চলে। করোনা আক্রান্ত রোগীদের শুধু চিকিৎসা সেবা দিলেই হবে না, চিকিৎসার পাশাপাশি রোগীর আত্মীয়স্বজনদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য আহ্বান জানান তিনি।
সহকারী পরিচালক আরও বলেন, মহামারি করোনার তৃতীয় ঢেউতে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে নারী ও পুরুষ মিলে মৃতের সংখ্যা ৩৪ জনের এসে দাঁড়িয়েছে। ১০০ বেডের পরিবর্তে রোগী ভর্তি আছে ১১৩ জন।
তিনি বলেন, খুব দ্রুত আরও ১০০ যোগ করে করোনা রোগীদের জন্য মোট ২০০ শয্যা সংযোজন করার পরিকল্পনা চলছে।