নেত্রকোনায় বাস ও ব্যাটারিচালিত রিকশার সংঘর্ষে মা ও দুই মেয়ে নিহত হয়েছেন। এতে অটোরিকশার চালকসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চল্লিশা এলাকায় এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন নেত্রকোনার সদর উপজেলার আমলী কেশবপুর গ্রামের আয়নুল হকের স্ত্রী নূর জাহান (৪৫), তাঁর মেয়ে স্মৃতি আক্তার (১৫) এবং সুমাইয়া (৮)।
আহতরা হলেন, আমলী কেশবপুরের আয়নুল হক (৬০), রাইতুল জাংশি গ্রামের মোস্তাফিজ (২৫) ও অটোরিকশা চালক কাঞ্চনপুর গ্রামের রেহান মিয়া (৪০)। তাঁদের মধ্যে আয়নুল হল ও রেহান মিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদেরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপরজন সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শহরে কেনাকাটাসহ অন্যান্য কাজ শেষে স্ত্রী আর দুই মেয়েকে নিয়ে ব্যাটারিচালিত রিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন আয়নুল হক। পথে চল্লিশা বাসপাই মোড়ে পৌঁছালে ময়মনসিংহ থেকে আসা বিপরীতমুখী একটি যাত্রীবাহী বাস তাদের অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে অটোরিকশায় থাকা মা ও দুই মেয়ে নিহত এবং আয়নুল হক গুরুতর আহত হন। এছাড়া অটোরিকশাচালক ও অপর যাত্রীও গুরুতর আহত হন। আহতদের প্রথমে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পরে অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) হাফিজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে। খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারি ঘটনাস্থলে গিয়ে স্পিড ব্রেকারসহ গোল চত্বর নির্মাণের আশ্বাস দিলে স্থানীয় লোকজন অবরোধ তুলে নেয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানা গেছে।