হোম > সারা দেশ > নেত্রকোনা

বক্তৃতায় জিয়াউর রহমানের নাম না নেওয়ায় নেতা-কর্মীদের ক্ষোভ, দুঃখপ্রকাশ শিক্ষা কর্মকর্তার

নেত্রকোনা প্রতিনিধি

মোহনগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ জুনায়েদ। ছবি: সংগৃহীত

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করেননি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ জুনায়েদ। এ নিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে নিজের বক্তব্যের বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করে ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বের বিষয়টি তুলে ধরলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

আজ শনিবার দুপুরে মোহনগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হলরুমে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের ব্যানারে প্রধান অতিথি হিসেবে স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবরের নাম থাকলেও তিনি উপস্থিত ছিলেন না।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা খাতুন, মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সেলিম কার্নায়েন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম এরশাদুর রহমানসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

উপস্থিত বিএনপি নেতা-কর্মী ও বিভিন্ন কর্মকর্তারা জানান, অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ জুনায়েদ। তাঁর পুরো বক্তব্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করায় উপস্থিত বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। একপর্যায়ে তাঁরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেন। এতে হলরুমে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে আসন ছেড়ে আবার মঞ্চে যান শিক্ষা কর্মকর্তা। এ সময় তিনি তাঁর বক্তব্যের বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং সাত নভেম্বরের তাৎপর্য ও জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বের বিষয়টি তুলে ধরেন। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

মোহনগঞ্জ পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুজ্জামান ফরিদ বলেন, শিক্ষা কর্মকর্তা তাঁর বক্তব্যে একবারও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করেননি। সাত নভেম্বরের সঙ্গে জিয়াউর রহমানের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাঁকে বাদ দিলে এ দিবসের কোনো অর্থ থাকে না। এ কারণে নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে কর্মকর্তা দুঃখ প্রকাশ করায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি সেলিম কার্নায়েন বলেন, বক্তব্যে জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করায় উপস্থিত নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি উপলব্ধি করে শিক্ষা কর্মকর্তা দুঃখ প্রকাশ করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ জুনায়েদ জানান, অনুষ্ঠানে তাঁকে স্বাগত বক্তব্য দিতে বলা হয়েছিল। আগে থেকে কোনো লিখিত বক্তব্য বা স্ক্রিপ্ট প্রস্তুত ছিল না। তাৎক্ষণিকভাবে বক্তব্য দেওয়ায় তাঁর আলোচ্য প্রসঙ্গে জিয়াউর রহমানের নাম আসেনি।

এ শিক্ষা কর্মকর্তা আরও বলেন, বক্তব্য শেষে একজন মঞ্চে উপস্থিত ইউএনওর কাছে এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। দর্শক সারিতে কয়েকজন উত্তেজিত হয়ে পড়েন। পরে তিনি আবার বক্তব্য দিয়ে বিষয়টি স্পষ্ট করেন। এ সময় ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য এবং জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বের বিষয়টি তুলে ধরলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা খাতুন বলেন, ‘শিক্ষা কর্মকর্তা তাঁর বক্তব্যে জিয়াউর রহমানের নাম না নেওয়ায় উপস্থিত নেতা-কর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। কর্মকর্তা বলেছেন-লিখিত বক্তব্য না থাকায় এমনটা হয়েছে। ওই বিষয়টা সেখানেই সুরাহা হয়েছে।’

বেশি বিল আসায় কর্মীকে গালাগালের অভিযোগ, গ্রাহকের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করল পল্লী বিদ্যুৎ

নেত্রকোনা সীমান্তে ১৪ লাখ টাকার পণ্য জব্দ

গরুর ধাক্কায় অটোরিকশা থেকে ছিটকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

ময়মনসিংহে ৪৯২ বোতল ফেনসিডিলসহ নেত্রকোনার যুবক আটক

৯০ দিনের মধ্যে সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচার শেষ করার দাবি

বাড়ির সামনে গর্তে জমা পানিতে ডুবে প্রাণ গেল শিশুর

নেত্রকোনায় বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ, বড় ভাইয়ের লাঠির আঘাতে ছোট ভাই নিহত

নেত্রকোনায় শূন্য পাস কলেজের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি, এক দিনে তিনবার বদল

সাংবাদিক আলিফ হত্যা: গ্রেপ্তার দুজনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

নেত্রকোনায় এক মাসে কোটি টাকার চোরাচালান ও মাদকদ্রব্য জব্দ