হোম > সারা দেশ > নাটোর

বড়াইগ্রামে শ্বশুরবাড়িতে যুবকের বিষপান, হাসপাতালে মৃত্যু

বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি

নাটোরের বড়াইগ্রামে শ্বশুরবাড়িতে বিষপান করে এক যুবক। অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়। গতকাল সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলার নটাবাড়িয়া কালির ঘূন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম সবুজ হোসেন (২৩)। তিনি উপজেলার নটাবাড়িয়া গ্রামের ফয়জাল হোসেনের ছেলে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক কলহ ছিল তাঁর। এর জের ধরে নটাবাড়িয়া কালির ঘূন এলাকার মহসিন সরকারের বাড়িতে বিষপান করেন। তাঁকে উদ্ধার করে ‘আমিনা হাসপাতাল’ নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই তাঁর মৃত্যু হয়। 

বাবা ফয়জাল হোসেন বলেন, ‘বিয়ের পর থেকেই সবুজ শ্বশুরবাড়িতেই থাকত। কী কারণে অমন ঘটনা ঘটাল তা জানা নাই।’ 

স্ত্রী শিউলী খাতুন জানান, ছয় বছর আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্বামীর সবুজের সঙ্গে তাঁর বাবার বাড়িতেই থাকতেন। তাঁর স্বামী কী কারণে বিষপান করেছেন তা জানেন না তিনি। তাঁর সঙ্গে কোনো বিরোধ ছিল না বলে জানান তিনি। 

স্থানীয়র আমিনা হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. আনসারুল হক বলেন, ‘বিষপানের কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো।’ 

বড়াইগ্রাম থানার পরিদর্শক আবু সিদ্দিক বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। মরদেহ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ 

নাটোর-২ আসনে দুলুর প্রতিদ্বন্দ্বী তাঁর স্ত্রী

তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় নষ্ট হচ্ছে হালতি বিলের বোরো বীজতলা, চিন্তিত কৃষক

নাটোরে নারীর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার

নাটোর-১ আসন: আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী টিপুকে শোকজ

নাটোরে অনির্দিষ্টকালের জন্য এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ বন্ধের ঘোষণা

নাটোর-২: দুলুর সম্পদ ৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা, বার্ষিক আয় প্রায় ৭১ লাখ

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কা, নিহত ২

টিনের চাল থেকে বিড়াল নামাতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে শিশুর মৃত্যু

‘আমি ওর সঙ্গে এক মিনিট কথা বলতে চাই, শুধু এক মিনিট’

শহীদ করপোরাল মাসুদ রানার মরদেহের অপেক্ষায় স্বজন ও এলাকাবাসী