হোম > সারা দেশ > নাটোর

বিলমাড়িয়া ফুটবল মাঠ খেলার অনুপযোগী 

প্রতিনিধি, লালপুর (নাটোর)

নাটোরের লালপুরে ব্রিটিশ আমলের সরকারি মাঠটি খেলাধুলার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। গত ৪ মাস ধরে মাঠটিতে পানি জমে থাকায় সেখানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। 

আজ বুধবার সরেজমিন দেখা যায়, মাঠের মধ্যে কোমর পর্যন্ত পানি জমে আছে। পূর্ব-উত্তর কোনের ভাগাড় থেকে ময়লার দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। প্রাচীরের দেওয়ালে জ্বালানির জন্য গোবরের প্রলেপ দেওয়া হয়েছে। পূর্ব ও পশ্চিমে প্রবেশের সিঁড়ি ভেঙে গেছে। ধানের খড় গাদা করে রাখা হয়েছে। পুরো মাঠ ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে আছে। 

বিলমাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম (৭৩) বলেন, ব্রিটিশ আমলে মেদিনীপুর জমিদার কোম্পানির প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র ও থানা সদর ছিল বিলমাড়িয়া। ভারতে যাতায়াতের জন্য পদ্মা নদীর তীরে ছিল স্টিমার ঘাট। তখন ফুটবল মাঠ, ক্লাব ও বিনোদন কেন্দ্র স্থাপিত হয়। সর্বশেষ ১৯৯৩ সালে এ মাঠে ফুটবল খেলা হয়। ২০০৫ সালে মাঠ সংস্কার ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়। 

পল্লিচিকিৎসক মো. আজম আলী বলেন, পানি নিষ্কাশনের কালভার্টের মুখ বন্ধ রয়েছে। প্রায় ৪ মাস ধরে মাঠের মধ্যে কোমর পানি জমে আছে। এতে বিভিন্ন রোগ ছড়াচ্ছে। পদ্মা নদীতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করলে মানুষের দুর্ভোগ কমবে। 

বিলমাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিন্টু বলেন, প্রায় তিন একর জায়গায় খেলার মাঠটি অবস্থিত। মাঠ সংস্কারের জন্য ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বরাবর আবেদন করা হয়েছে। 

লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি শাম্মী আক্তার বলেন, সরেজমিন মাঠটি পরিদর্শন করেছেন। দ্রুত পানি নিষ্কাশনে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। 

নাটোর-২ আসনে দুলুর প্রতিদ্বন্দ্বী তাঁর স্ত্রী

তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় নষ্ট হচ্ছে হালতি বিলের বোরো বীজতলা, চিন্তিত কৃষক

নাটোরে নারীর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার

নাটোর-১ আসন: আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী টিপুকে শোকজ

নাটোরে অনির্দিষ্টকালের জন্য এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ বন্ধের ঘোষণা

নাটোর-২: দুলুর সম্পদ ৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা, বার্ষিক আয় প্রায় ৭১ লাখ

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কা, নিহত ২

টিনের চাল থেকে বিড়াল নামাতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে শিশুর মৃত্যু

‘আমি ওর সঙ্গে এক মিনিট কথা বলতে চাই, শুধু এক মিনিট’

শহীদ করপোরাল মাসুদ রানার মরদেহের অপেক্ষায় স্বজন ও এলাকাবাসী