লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে ১৫ লাখ টাকাসহ কৃষক দলের এক নেতাকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী। আজ বুধবার রাত ৮টার দিকে শহরের ঝুমুর চত্বর এলাকায় যৌথ বাহিনীর চেকপোস্ট থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
পরে তাঁকে নির্বাচন অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের বিচারক তাহরিনা আক্তার নওরিনের আদালতে হাজির করা হয়। যাচাইয়ের পর তাঁকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।
আটক ব্যক্তির নাম বদরুল আলম শ্যামল, তিনি জেলা কৃষক দলের সহসভাপতি এবং লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও দলের যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির খালাতো ভাই।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঝুমুর এলাকায় চেকপোস্ট পরিচালনা করে। কৃষক দল নেতা শ্যামলসহ তিনজন নির্বাচনের কাজে ব্যবহৃত একটি গাড়িতে (ঢাকা মেট্রো-ঘ ১৭-১৩৭৭) যাচ্ছিলেন। এ সময় গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি চালিয়ে একটি টাকার ব্যাগ পাওয়া যায়। পরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. রেজাউল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ঝুমুর মোড়ে সেনাবাহিনীর চেকপোস্টে একটি গাড়ি তল্লাশি করা হয়। এ সময় ১৫ লাখ টাকাসহ এক ব্যক্তিকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা বিচারিক আদালতে সোপর্দ করেন। পরে ওই টাকার বৈধ কাগজপত্র দিলে বিনা শর্তে টাকাসহ তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা গুজব ছড়িয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে ফেসবুক লাইভে আসেন বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
লাইভে এ্যানি বলেন, ‘আমার নির্বাচনী এজেন্ট গাড়ি নিয়ে বিভিন্ন কেন্দ্রে যাচ্ছেন। গাড়িটিতে কেন্দ্রে ব্যয় করার জন্য ১৫ লাখ টাকা ছিল। কোর্ট থেকে সেটা ইতিমধ্যে রিলিজও করেছে, এটা কেন্দ্র ফি বাবদ ব্যবহার হচ্ছে।’ এ নিয়ে গুজব ছড়ানোকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিমূলক বলে দাবি করেন তিনি।