হোম > সারা দেশ > কুষ্টিয়া

ইবিতে বরখাস্ত ১৯ শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর শাস্তি মওকুফ

ইবি সংবাদদাতা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: আজকের পত্রিকা

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সাময়িক বরখাস্ত ১৯ শিক্ষক ও ১১ কর্মকর্তা-কর্মচারীর শাস্তি মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে একাধিক সূত্র জানা গেছে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য জানান, সভায় উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মত মতামতের ভিত্তিতে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শাস্তি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। তবে একই অভিযোগে বহিষ্কৃত ৩৩ শিক্ষার্থীর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানান তাঁরা।

জানা গেছে, গত বছরের ১৬ মার্চ গণ-অভ্যুত্থানের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের শনাক্ত করতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

কমিটি ওই বছরের ১৩ আগস্ট উপাচার্যের কাছে এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। এতে ১৯ জন শিক্ষক, ১১ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ৩৩ শিক্ষার্থীর (ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী) শাস্তির সুপারিশ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৮ আগস্ট অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় প্রশাসন।

পরে প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭১তম সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বরখাস্ত এবং শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে অভিযুক্ত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সাময়িক বরখাস্ত হন। একই সঙ্গে অভিযুক্ত ৩৩ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার এবং যাঁদের একাডেমিক কার্যক্রম শেষ হয়েছে, তাঁদের সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়।

এ ছাড়া তাঁদের চূড়ান্ত শাস্তি নির্ধারণের একটি রিভিউ কমিটি গঠনে উপাচার্যকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ১৯ নভেম্বর সাত সদস্যের রিভিউ কমিটি গঠন করে প্রশাসন।

রিভিউ কমিটির প্রতিবেদনের ওপর মতামত গ্রহণের জন্য চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ২৭২তম সিন্ডিকেট সভায় একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির কাছে প্রতিবেদনটি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একজন অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ পূর্বের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন, অভিযুক্তদের বক্তব্য এবং রিভিউ কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে নিজের মতামত দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ওই বিচারপতি তার পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেন, তদন্ত কমিটি ও রিভিউ কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত কর্মচারী বিধি অনুযায়ী কাজ করেনি। ফলে তাদের প্রস্তাবিত ও সুপারিশ করা শাস্তি বাস্তবায়ন আইনসম্মত হবে না। ফলে এ ধরনের শাস্তি দেওয়া হলেও তা আদালতে টেকসই হবে না এবং আইনি প্রক্রিয়ায় তা বহাল থাকবে না।

এ ছাড়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্তদের ভবিষ্যতে সব ধরনের সম্ভাব্য বিরোধ এড়িয়ে সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ওই বিচারক।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. মনজুরুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, এখনই সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি নই। ২৪ মার্চ ক্যাম্পাস খোলার পর যে গৃহীত সিদ্ধান্ত রেজল্যুশন আকারে প্রকাশ করা হবে।

মা-চাচির ঝগড়ার বলি আড়াই বছরের নুজাইফা, চাচি আটক

মাদ্রাসাছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, পরিচালক আটক

এনসিপি নেতারা গণভোট নিয়ে অর্ধেক বুঝেছেন: আইনমন্ত্রী

এমপির ভাইয়ের হুমকি ‘কুষ্টিয়া জেলা এখন গফুরের হাতের ভিতর’

ইবি শিক্ষিকা হত্যা: দিন যত যাচ্ছে, আমরা হতাশ হচ্ছি—বললেন বাবা ও স্বামী

কুষ্টিয়ায় রাতে তালা ভেঙে সরকারি দপ্তরের নথিপত্র তছনছ

‘মেয়ে এখনো দরজার কাছে গিয়ে মায়ের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকে’

ইবিতে মায়ের ক্যাম্পাসে বাবার সঙ্গে গেল চার সন্তান, অংশ নিল মানববন্ধনে

কুষ্টিয়ায় প্রকাশ্যে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

১৯ ঘণ্টা পর গড়াই নদে এক শিশুর লাশ উদ্ধার, আরেকজন এখনো নিখোঁজ