হোম > সারা দেশ > কিশোরগঞ্জ

ভৈরবে তেল সরবরাহ বন্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ, ডিপো ইনচার্জ ৪ ঘণ্টা অবরুদ্ধ

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি 

ডিপোর সামনে রাখা ট্যাংক লরি। ছবি: আজকের পত্রিকা

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জ্বালানি তেলের তিনটি ডিপো থেকে স্থানীয় এজেন্ট ও ব্যবসায়ীদের তেল সরবরাহ বন্ধ রাখার প্রতিবাদে ডিপো ইনচার্জকে প্রায় চার ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন তেল পরিবেশক ব্যবসায়ীরা।

আজ বুধবার (১১ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে মেঘনা ত্রিসেতুসংলগ্ন ডিপোঘাট এলাকায় অবস্থান নেন স্থানীয় তেল পরিবেশক ব্যবসায়ীরা। এ সময় তাঁরা ডিপো ইনচার্জকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। প্রায় চার ঘণ্টা পর জ্বালানি তেল সরবরাহের আশ্বাস পেয়ে বেলা ১টার দিকে অবরোধ প্রত্যাহার করে ডিপো এলাকা ত্যাগ করেন তাঁরা।

এদিকে ডিপোর সামনে ১০ জেলার শতাধিক ট্যাংক লরি জ্বালানি তেল নেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। তবে ডিপোগুলো থেকে বর্তমানে শুধু ফিলিং স্টেশন এজেন্টদের চাহিদার তুলনায় অর্ধেক পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

ডিপো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী রেশনিং পদ্ধতিতে পাম্পগুলোয় তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে স্থানীয় এজেন্ট ডিলারদের আপাতত তেল সরবরাহ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অন্য দিকে এজেন্ট মালিকেরা বলছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে এলাকায় তেলের সংকট তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। এতে ডিলারদের ব্যবসা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।

সূত্র জানায়, ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে। এর ধারাবাহিকতায় দেশের জ্বালানি তেল সরবরাহেও সংকট দেখা দিয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে ভৈরবের ডিপোগুলোয়।

জানা গেছে, বন্দরনগরী ভৈরবের মেঘনা নদীর পাড়ে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের তিনটি জ্বালানি তেল ডিপো রয়েছে। মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত এসব ডিপো থেকে কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, জামালপুর, শেরপুর, নরসিংদী, গাজীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ ও কুড়িগ্রামসহ ১০টি জেলায় ডিলারদের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়।

ভৈরব ট্যাংক লরি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত জ্বালানি তেল সরবরাহে ডিপোতে কোনো রেশনিং পদ্ধতি ছিল না। রোববার থেকে রেশনিংয়ের মাধ্যমে শুধু তেলের পাম্পগুলোয় তেল সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। রেশনিংয়ে চাহিদামতো তেল না পেলে ট্যাংক লরি অর্ধেক খালি রেখে গন্তব্যে যেতে হয়, এতে পরিবহন খরচ বেড়ে যায়। আবার কম তেল নিয়ে গেলে নিজ নিজ এলাকায় ক্রেতাদের চাহিদা মেটানো সম্ভব হয় না। এ কারণে অনেক চালক রেশনিংয়ের তেল সরবরাহ নিচ্ছেন না।

ভৈরব জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আলী বলেন, ‘আমরা এজেন্সি ডিলার মালিকেরা সারা বছর তেল কেনাবেচা করি। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোয় আমরা তেল সরবরাহ করি। বিশেষ করে এই বোরো মৌসুমে জমিতে সেচের কাজ করা হয়। তেল না থাকলে কৃষকদের ফসলি জমিতে ব্যাপক ক্ষতি হবে। তেলের দাবিতে আমরা ডিপো ইনচার্জকে অবরুদ্ধ করার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে নিয়মানুযায়ী তেল দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।’

এ বিষয়ে যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ভৈরব ডিপোর ইনচার্জ মো. মতিউর রহমান জানান, গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তেল সরবরাহে কোনো রেশনিং ছিল না। অনেক ডিলার অতিরিক্ত তেল নিয়ে মজুত করেছেন। রোববার থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বিভিন্ন জেলার পাম্প মালিকদের ট্যাংক লরিতে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল সরবরাহ দেওয়া হয়েছে। আগে যে পরিমাণ তেল নেওয়া হয়েছে তার চেয়ে ২৫ শতাংশ কম তেল দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় এজেন্ট ডিলারদের তেল না দিতে কর্তৃপক্ষ নির্দেশ প্রদান করলেও আজ ডিলারদের সঙ্গে কিছুটা সমস্যা হয়েছে। অবশেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ডিলারদের নিয়মানুযায়ী তেল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দোকানের মালিকানা নিয়ে বিরোধ: ভাতিজার ছুরিকাঘাতে চাচা খুন

ছেলে মৃত্যুর খবর শুনে চার ঘণ্টা পর মারা গেলেন মা

হাওরে ধানের বাম্পার ফলন, তবু অস্বস্তিতে চাষি

কিশোরগঞ্জে আ.লীগ নেতাকে ‘কলার ধরে’ পুলিশে দিলেন বিএনপি নেতা

নীলফামারীতে ট্রাক্টরের ধাক্কায় ভ্যানচালকের মৃত্যু

স্কুলজীবনের বিরোধের জেরে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা

ভৈরবে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ব্যবসায়ী নিহত

খাল আটকে ফিশারি, ডুবেছে ধানের খেত

পাকুন্দিয়ায় সংঘর্ষের পর পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: গ্রেপ্তার ১৩, দুই গ্রাম পুরুষশূন্য

ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ষে ওসিসহ আহত ২৪, বাড়িঘর ভাঙচুর