দীর্ঘ ১৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে সংস্কারহীন পড়ে থাকা কিশোরগঞ্জ শহরের নগুয়া এলাকার সরকারি পুকুরটি অবশেষে পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। শহরের সরকারি পুকুর ও জলাশয়গুলো উদ্ধার ও ব্যবহারোপযোগী করার পৌরসভার উদ্যোগের অংশ হিসেবে আজ শনিবার সকাল থেকে পুকুরটির সংস্কারকাজ শুরু হয়।
পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) জেবুন নাহার শাম্মীর তত্ত্বাবধানে সকাল থেকে পুকুরটি পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়। পৌরসভার প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক কচুরিপানা, বর্জ্য ও তলানির পলি অপসারণের কাজে অংশ নেন।
দুপুরে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন। তিনি চলমান কাজের অগ্রগতি ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন বলেন, `সরকারি জলাশয় সংরক্ষণ শুধু পরিবেশ রক্ষার জন্যই নয়, বরং পৌর এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি সংরক্ষণ এবং জনস্বার্থ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জেলার সরকারি পুকুর ও জলাশয়গুলো দখল ও দূষণমুক্ত রেখে ব্যবহারোপযোগী করতে জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।'
জেলা প্রশাসক আরও জানান, সুস্থ ও পরিচ্ছন্ন পৌরসভা গড়তে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। সম্প্রতি শহরের খরমপট্টি এলাকার আরেকটি সরকারি পুকুরও পরিষ্কার করা হয়েছে।
পরিদর্শনের সময় কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামরুল হাসান মারুফ, কিশোরগঞ্জ পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) মিজানুর রহমান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফারুক আহমেদ প্রমুখসহ জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।