হোম > সারা দেশ > চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গা কারাগারে এসআই সুকান্ত দাস, কেএমপি সদর দপ্তর ফের ঘেরাও

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি­

সুকান্ত কুমার দাস। ছবি: সংগৃহীত

এসআই সুকান্ত কুমার দাসকে আদালতের নির্দেশে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার এসআই (নিরস্ত্র) মিজানুর রহমান চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিমূলে তাঁকে আদালতে সোপর্দ করেন। বেলা ৩টায় তাঁকে আদালতে তোলা হয়। সুকান্ত দাসের ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাড. মারুফ সরোয়ার বাবু জানান, সরকারি কর্মচারী গ্রেপ্তারসংক্রান্ত প্রচলিত বিধিবিধান অনুসরণ করেই তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে খুলনা সদর থানায় একটি এবং আদালতে আরও একটি মামলা রয়েছে। তিনি আরও জানান, আসামিকে ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৪ ধারা মোতাবেক আদালতে সোপর্দ করলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠিয়েছেন।

এর আগে এসআই সুকান্ত কুমার দাসকে গ্রেপ্তার করার খবর খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপির) পক্ষ থেকে জানানো হয়। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কেএমপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো বার্তায় বলা হয়, এসআই (নিরস্ত্র) সুকান্ত কুমার দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সরকারি কর্মচারী গ্রেপ্তারসংক্রান্ত বিধিবিধান অনুসরণ করে তাঁকে কোর্টে চালান দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা চলমান রয়েছে। জানতে চাইলে পুলিশ কমিশনার মো. জুলফিকার আলী হায়দার বলেন, এসআই সুকান্তকে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা থানা-পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এদিকে পুলিশ কমিশনারের অপসারণ দাবিতে আজ বিকেল থেকে আবার কেএমপি সদর দপ্তর ঘেরাও করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ শুরু করেছেন। বিক্ষোভকারীরা সদর দপ্তরের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে ভবনের সামনের সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা থানায় কর্মরত থাকা অবস্থায় এসআই সুকান্ত দাস গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর নির্যাতন চালান। খুলনা সদর থানায় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় গত ১২ ডিসেম্বর মামলা করা হয়। মামলাটি বর্তমানে ডিবিতে তদন্তাধীন। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে খুলনা নগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনার বাড়ি ভাঙচুরসহ অন্তত চারটি মামলা চলমান রয়েছে।

গত মঙ্গলবার (২৪ জুন) একটি মামলায় স্বাক্ষী দিতে খুলনা আদালতে যান এসআই সুকান্ত দাস। সেদিন খানজাহান আলী থানা এলাকা থেকে স্থানীয় লোকজন মারধর করে তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। কিন্তু রাতেই থানা থেকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা গতকাল বুধবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত কেএমপির সদর দপ্তর ঘেরাও করে পুলিশ কমিশনারসহ অন্য কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। তাঁরা পুলিশ কমিশনার মো. জুলফিকার আলী হায়দারের অপসারণ দাবি করেন। এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করে রাত পৌনে ৯টায় বিক্ষোভকারীরা কর্মসূচি স্থগিত রাখেন। তবে পুলিশ কমিশনারের অপসারণের দাবিতে আজ বিকেলে আবার কেএমপি সদর দপ্তর ঘেরাও করা হবে বলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সূত্র জানায়।

সরকারি কর্মচারীরা কাজ ফেলে সমাবেশে, হয়রানির শিকার সেবাপ্রার্থীরা

খুলনায় কালোবাজারে পাচারের জন্য মজুত ৬৯৭ বস্তা সরকারি চাল জব্দ

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে খুলনা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থীকে শোকজ

খুলনার রূপসায় মাছ ব্যবসায়ীকে দুর্বৃত্তদের গুলি, এলাকায় আতঙ্ক

পায়ে পাড়া দিয়ে কেউ যদি আশা করে আমরা চুপ থাকব, তা হবে না— খুলনায় জামায়াত আমির

খুলনায় ১৫ ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধার

খুলনায় আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার র‍্যাব

প্যারোলে মুক্তি মেলেনি ছাত্রলীগ নেতার, কারাফটকে দেখলেন মৃত স্ত্রী-সন্তানের মুখ

‘মা-বোনদের রাজাকারদের হাত তুলে দিয়ে এখন ধর্মের দোহাই দিয়ে ভোট চাইছে’

অনুমতি ছাড়া বাংলাদেশ ছাড়ল রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৯ ভারতীয় কর্মকর্তা