খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ ভবনের ছাদ ধসে দুই শ্রমিক নিহত হওয়ার দুই মাস পর মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (আমলি) আদালতে পিটিশন দায়ের করলে বিচারক মো. ফরিদুল আলম এজাহার হিসেবে গণ্য করার জন্য সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন।
মামলায় আসামিরা হলেন উপঠিকাদার প্রাণতোষ প্রকাশ প্রাণন্ত বাবু, উপঠিকাদার মো. সেলিম, পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা টিটন খীসা ও জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী তৃপ্তি শংকর চাকমা।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বেদারুল ইসলাম বলেন, আসামিদের যোগসাজশে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এতে নিহত ও আহত শ্রমিকদের অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করে ফৌজদারি অপরাধ করেছে। আসামিদের শাস্তির দাবি করে ওই ঘটনায় আহত জালাল খান অভিযোগ দায়ের করেছেন। পরে আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৬ (৩) ধারায় অভিযোগটি এজাহার হিসেবে দায়ের করার নিদেশ দেয়।
উল্লেখ্য, গত ৮ অক্টোবর বিকেল পৌনে ৪টার দিকে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের পুরোনো ভবনের সামনে ছাদের একটি অংশ ধসে পড়লে দুই শ্রমিক নিহত হন। এ সময় আরও পাঁচ শ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছিলেন। এ ঘটনায় জেলা পরিষদে গঠিত তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হলেও তা দুই মাসেও হয়নি।
ওই ঘটনায় নিহতরা হলেন, সাজ্জাদ হোসেন (২২) ও সাইফুল ইসলাম (২২)।