খাগড়াছড়িতে সাজেক সড়ক অবরোধ নিয়ে আলোচনায় পাঁচ দাবির মধ্যে প্রায় চারটিতে সমঝোতা হয়েছে বলে জানিয়েছেন খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ওয়াদুদ ভূঁইয়া। বাকি একটি দাবি নিয়ে দুই-এক দিনের মধ্যে আলোচনা করে সমাধান হলে সাজেক সড়ক খুলে যাবে এবং অবরোধ প্রত্যাহার হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
আজ সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউসে সংবাদ ব্রিফিংয়ে ওয়াদুদ ভূঁইয়া এসব কথা বলেন।
ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, ‘আলোচনা চলছে। ওদের যে পাঁচটি দাবি ছিল, প্রায় চারটিতে সমঝোতা এসেছে। আরও একটি বাকি আছে। সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় আমরা আলোচনা করতে পারিনি। আশা করি, দুই-এক দিনের মধ্যেই বাকি পয়েন্ট আলোচনা করে একটি সমাধানে আসবে। তখনই সাজেক রাস্তা খুলে যাবে এবং অবরোধ উঠে যাবে।’
অবৈধ সশস্ত্র সংগঠনের বিষয়ে সরকার ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান ওয়াদুদ ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ‘অবৈধ সশস্ত্র সংগঠনগুলোর বিষয়ে সরকার পদক্ষেপ নেবে।’
পাহাড়ের সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক বলে মন্তব্য করেন ওয়াদুদ ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ‘আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আন্তরিকভাবে পাহাড়ের সমস্যাটাকে দেখছেন। পাহাড় থেকে শুরু করে তারপর সমতলের সমস্যাগুলো সমাধানে হাত দেবেন। আজকে সাজেক ইস্যুতেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা কার্যক্রম করছি। তিনি অত্যন্ত আন্তরিক। তিনি আমাদের বারবার বলছেন, ‘‘তোমরা এটাকে সমাধান কর।’’
রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান বলেন, ‘তাদের সঙ্গে পলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আমরা অত্যন্ত আশাবাদী। কিন্তু একটি পয়েন্ট অমীমাংসিত আছে। আশা করি, এটাও সমাধান হবে। ওদের যে দাবিদাওয়া, আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করছি। ওরাও শান্তি চায়, আমরাও শান্তি চাই।’
সংবাদ ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত, খাগড়াছড়িতে ডিজিএফআইয়ের শাখা অধিনায়ক কর্নেল মাহফুজুল বারী, জেলা পুলিশ সুপার মো. মোর্তোজা আলী খান, রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী এবং জেলা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আবদুর রকিব।