ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে তিন পুলিশসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে কালীগঞ্জ থানা মোড়ে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে মিটিংয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি নিয়ে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, এ এস আই জাহিদ, কনস্টেবল পিপলু ও সেলিম।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুপুরের দিকে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রাশেদ খানের দলীয় কার্যালয়ে মহারাজপুর ইউনিয়নের বিএনপি নেত-কর্মীদের নিয়ে মিটিং চলছিল। হঠাৎ তাঁদের মধ্যে তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে হাতাহাতি ও সংঘর্ষ শুরু হয়। তখন এক পক্ষের ধাওয়া খেয়ে আরেক পক্ষ থানার ভেতরে ঢুকে পড়ে। সেখানেও দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলতে থাকে। সংঘর্ষ থামাতে গেলে তিন পুলিশ সদস্যসহ পাঁচজন আহত হন। এই ঘটনার পর থেকে দুই গ্রুপের লোকজনের মধ্যে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মো. রাশেদ খান বলেন, ‘আজ সকালে কালীগঞ্জ থানা রোডে আমাদের দলীয় কার্যালয়ে আসি। সে সময় আমার সঙ্গে দেখা করতে নেতা-কর্মীরা অফিসে আসেন। একপর্যায়ে কর্মীরা নিজেদের মধ্যে কথা-কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন। এরপর তাঁদের মধ্যে হঠাৎ হাতাহাতি শুরু হয়। পরে পুলিশ থামাতে এলে পুলিশের সঙ্গেও তাঁরা কথা-কাটাকাটি করেন। আসলে কী নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়েছে আমি নিজেও বুঝতে পারছি না।’
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন বলেন, ‘আমাদের থানার পাশের রাশেদ খানের দলীয় কার্যালয় রয়েছে। যেখানে তাঁদের মিটিং চলছিল। হঠাৎ তাঁরা মারামারি করতে করতে রাস্তায় নেমে পড়েন, এমনকি থানায় প্রবেশ করে মারামারি শুরু করে দেন। তখন পুলিশ সদস্যরা মারামারি থামাতে গেলে আমাদের তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়।’