যশোরের শার্শায় পল্লিচিকিৎসক আলামিন হত্যার ২৪ ঘণ্টা পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। তবে আজ শুক্রবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত আলামিনের দুই স্ত্রীসহ চারজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে তারাবি নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে আলামিন হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
জানা যায়, আলামিন পল্লিচিকিৎসক হিসেবে স্থানীয়দের কাছে বেশ পরিচিত ছিল। শার্শার নাভরন গাতিপাড়া বাজারে ‘মিম মেডিকেল হল’ নামের একটি ওষুধের দোকান চালাতেন তিনি। দ্বিতীয় বিয়ে করাকে কেন্দ্র করে কিছুদিন আগে তাঁকে মারধর করেন প্রতিবেশী এক যুবক।
আর এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার রাতে দোকান বন্ধ করে নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে তাঁর মোটরসাইকেল গতিরোধ করে দুর্বৃত্তরা। পরে কুপিয়ে হত্যা করে ফেলে রেখে যায়। পথচারীরা দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায় এবং হত্যা রহস্য উদ্ঘাটনে পরিবারের অভিযোগে সন্দেহভাজন চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে। প্রাথমিক ধারণা, দ্বিতীয় বিয়ে-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাঁকে হত্যা করা হতে পারে।
এদিকে নিহত আলামিনের বাবা, মা দ্রুত খুনিদের শনাক্ত করে আটক ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। আলামিনের চাচাতো ভাই রাজীব বলেন, ‘আমার ভাইয়ের খুনিদের দ্রুত শনাক্ত করে আটকের দাবি জানাচ্ছি।’
এ বিষয়ে শার্শার নাভরন সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আরিফ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আলামিন দ্বিতীয় বিয়ে-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটতে পারে। সন্দেহভাজনদের হেফাজতে নিয়ে তথ্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।’