গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল থেকে এক শিশুকে অপহরণ করে বিক্রির অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার তাঁদের গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে শিশুটিকে তার বাবা-মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) সহকারী কমিশনার (ডিবি-মিডিয়া) চৌধুরী মো. তানভীর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলার নোয়াগাও গ্রামের জিনা বেগম ওরফে লতা (২৮) এবং শিশুর ক্রেতা গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন আমতলীর কেরানীটেক এলাকার আঁখি বেগম (৪০)।
অপহৃত শিশু মাহাদী হোসাইন (৬ মাস) ইদ্রিস মন্ডল ও রোকেয়া দম্পতির ছেলে। তাঁদের বাড়ি জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার পোড়াবাড়ি গ্রামে। তাঁরা শিশু সন্তানকে নিয়ে গাজীপুর মহানগরীর পুবাইল থানাধীন করমতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।
জিএমপি সহকারী কমিশনার জানান, হকারি করে পণ্য বিক্রির সুবাদে ইদ্রিস মন্ডলের সঙ্গে জিনার পরিচয় হয়। জিনা তাঁদের বাসায় যেতেন। গত ৮ নভেম্বর বিকেলে কৌশলে জিনা শিশুটিকে অপহরণ করে নিয়ে যান। পরে গতকাল বৃহস্পতিবার জিনাকে আসামি করে পুবাইল থানায় মামলা করেন ইদ্রিস মন্ডল। ঘটনার দিন পুলিশ অভিযান চালিয়ে টঙ্গীর আমতলী (কেরানীরটেক) বস্তিতে আঁখি বেগমের বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে।
গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে আঁখি পুলিশকে জানান, তার চার মেয়ে রয়েছে। ছেলে না থাকায় তিনি ১৩ হাজার টাকা দিয়ে ওই শিশুকে কিনে নেন।