গাজীপুরে পরিবেশগত ছাড়পত্র নেই ২০৬টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের। এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। স্বাস্থ্য সচিব ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া ছাড়পত্রহীন এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার গাজীপুরের বাসিন্দা মেহেদী হাসানের রিটের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর ওই রিট দায়ের করা হয়। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী কাওছার হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ রাসেল চৌধুরী।
আইনজীবী কাওছার জানান, মেহেদী হাসান তাঁর স্ত্রীকে গাজীপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করান। কিন্তু ওই হাসপাতালের হাইজেনিক পরিবেশ না থাকায় রোগীরা মেডিকেল বর্জ্য-ময়লা আবর্জনার দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে তাঁর মনে হয়। পরে গাজীপুর জেলার সব হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিবেশ ছাড়পত্রের তথ্য চেয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরে আবেদন করেন তিনি। জবাবে বলা হয়, ২০৬ টির পরিবেশগত ছাড়পত্র নেই। তারপরই আইনগত ব্যবস্থা চেয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়। কিন্তু জবাব না পেয়ে উচ্চ রিট করেন মেহেদী।