গাজীপুরের শ্রীপুরে বাস থেকে এক শ্রমিককে ধাক্কা দিয়ে ফেলে চাকায় পিষে হত্যার মামলায় বাসচালকের সহকারীকে গ্রেপ্তার করেছে হাইওয়ে পুলিশ। আজ শনিবার তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় অজ্ঞাত বাসচালককেও আসামি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার চালকের সহকারী হৃদয় (১৮)। তিনি ময়মনসিংহ জেলার শম্ভুগঞ্জ গ্রামের সুমন মিয়ার ছেলে। হৃদয় হাইওয়ে মিনিবাসের চালকের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন।
নিহতের নাম মো. শহিদুল্লাহ (৫০)। শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের মুলাইদ গ্রামে তাঁর বাড়ি। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী সাহেরা খাতুন (৪৫) গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মামলা বাদী ও নিহত শহিদুল্লাহর ছেলে সাইফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার মা-বাবা বেড়ানো শেষে বাসায় ফেরার পথে হাইওয়ে মিনিবাস আমার মাকে চাপা দেয়। এরপর বাবা দ্রুত দৌড়ে গিয়ে বাসটিতে ওঠার চেষ্টা করেন। এ সময় হেলপার আমার বাবাকে লাথি দিয়ে বাসের নিচে ফেলে পিষে মেরে ফেলে।’
সাইফুল আরও বলেন, ‘স্থানীয়রা মা-বাবাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় আলহেরা মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাবাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর গুরুতর আহত মাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করি।’
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হত্যা মামলার আসামি, চালকের সহকারী গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে আজ শনিবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিকে গ্রেপ্তার করতে কাজ করছে পুলিশ।’
উল্লেখ্য, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের রঙ্গিলা বাজার এলাকায় বাস থেকে লাথি দিয়ে ফেলে দেওয়ায় চাকায় পিষ্ট হয়ে একজন নিহত হয়েছেন।