হোম > সারা দেশ > গাইবান্ধা

প্রকৃত কৃষক ছাড়াই প্রণোদনা বিতরণের অভিযোগ

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

প্রকৃত সুবিধাভোগী কৃষকদের অনুপস্থিতিতে তাঁদের নামে বরাদ্দকৃত জব্দ করা বিনা মূল্যের সার ও ধানের বীজ। ছবি: সংগৃহীত

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় প্রকৃত সুবিধাভোগী কৃষকদের অনুপস্থিতিতে তাঁদের নামে বরাদ্দকৃত বিনা মূল্যের সার ও ধানের বীজ বিতরণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

গত সোমবার (১৬ জুন) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসংলগ্ন পুকুরপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় বিতর্কিত ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোখলেছুর রহমান মণ্ডলের ছেলে মো. আবদুস সবুর মণ্ডল (৫০) উত্তোলিত প্রণোদনার মালামাল রেখে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন বলে অভিযোগ করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা কৃষি বিভাগের উদ্যোগে কয়েক দিন ধরে খরিপ-২ মৌসুমের কৃষি প্রণোদনার সার ও বীজ বিতরণ কার্যক্রম চলছে। তবে তালিকাভুক্ত অনেক প্রকৃত কৃষক উপস্থিত না থাকায় তাঁদের পরিবর্তে অন্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে এসব সামগ্রী উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, প্রকৃত কৃষকদের বঞ্চিত করে প্রভাবশালী মহলের লোকজন প্রণোদনার মালামাল উত্তোলন করছে।

প্রত্যক্ষদর্শী গণমাধ্যমকর্মী মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বাইরে ছিলাম। হঠাৎ দেখি আবদুস সবুর মণ্ডল একটি মোটরসাইকেল ও একটি অটোতে প্রণোদনার মালামাল নিচ্ছেন। জিজ্ঞাসা করলে তিনি উত্তেজিত হয়ে পড়েন। পরে লোকজন আসলে তিনি অটো রেখে চলে যান।’

পরে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে ইজিবাইক থেকে উত্তোলিত মালামাল উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেন এবং তা গুদামে সংরক্ষণ করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের এক কৃষক অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রতিবছর চেয়ারম্যান ও তাঁর লোকজন প্রকৃত কৃষকদের না দিয়ে নিজেরাই প্রণোদনার মালামাল উত্তোলন করেন।’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মো. আবদুস সবুর মণ্ডল বলেন, ‘১৪ জন কৃষকের মালামাল আমি একাই উত্তোলন করেছিলাম। কৃষকেরা না থাকায় পরে কৃষি অফিস তা ফেরত নেয়। পরে আমি সেখান থেকে চলে আসি।’

ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোখলেছুর রহমান মণ্ডল বলেন, ‘ভাগাভাগির পরে আমি ১৪ জন কৃষকের বরাদ্দ পাই। আমার ছেলে কৃষক সে কারণে তাকে একটা দিই। হাবিবুর নামের আরেকটি ছেলেকে একটা দিই। বাকি ১২টা ১২ জন কৃষককে দিয়েছি।’

তিনি আরও দাবি করেন, ‘কৃষকদের যাতায়াত সুবিধার জন্য আমার ছেলে এসব মালামাল উত্তোলনে সহায়তা করে থাকে।’

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর উত্তোলিত সার ও বীজ আমাদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত উপকারভোগীদের মধ্যে পুনরায় বিতরণ করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ বছর খরিপ-২ মৌসুমে ৫ হাজার ১৫০ জন কৃষক কৃষি প্রণোদনা পাবেন। বিতরণ কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলির সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সাদুল্লাপুরে সীমানা নিয়ে বিরোধে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন

সুন্দরগঞ্জে ৪ হাজার ২০০ মিটার কারেন্ট জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট, ইলিশ পেল এতিমেরা

কনের বাড়িতে চলছিল গায়েহলুদের প্রস্তুতি, সন্ধ্যায় এল বরের মৃত্যুর সংবাদ

জি এম কাদেরের বাসায় হামলার প্রতিবাদে সুন্দরগঞ্জে বিক্ষোভ

গাইবান্ধায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির ৪৫টি চুল্লি

সাদুল্লাপুরে ২ দিন পর পুকুরে মিলল শিশুর মরদেহ

জমি নিয়ে বিরোধ, দুবার কবর ভরাটের পর দুধ লালের দাফন

বিয়ের দুই দিন পরই ইঁদুরনাশক ট্যাবলেট সেবনে দম্পতির মৃত্যু

দেড় লাখ টাকার চেক বুঝে নিয়ে বাবার লাশ দাফনে সম্মতি মেয়ের

ছেলের নামে জমি লিখে দেওয়ায় বাবার জানাজা-দাফনে মেয়ের বাধা