হোম > সারা দেশ > ফেনী

আবদুল আউয়াল মিন্টুর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা নিয়ে প্রশ্ন

ফেনী প্রতিনিধি

আবদুল আউয়াল মিন্টু। ছবি: সংগৃহীত

ফেনী-৩ (সোনাগাজী–দাগনভূঞা) আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও দলীয় প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টুর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। গত রোববার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাই শেষে এ ঘোষণা দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মনিরা হক।

দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টির সুরাহা না হওয়া সত্ত্বেও মিন্টুর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা নিয়ে আলোচনা–সমালোচনা চলছে। একই অভিযোগে একাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা। বর্ধিত সময়ের পরও নাগরিকত্ব ত্যাগের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে পারেননি আব্দুল আউয়াল মিন্টু। এরপরও গতকাল রোববার তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

এদিন ফেনী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আব্দুল আউয়ালের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে আপত্তি জানান জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুর রহিম। আপত্তির জবাবে রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক বলেন, ‘আবদুল আউয়াল মিন্টুর আগে দ্বৈত নাগরিকত্ব ছিল। তবে তিনি ২০২৫ সালের ৯ ডিসেম্বর তা পরিত্যাগের আবেদন করেছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন। প্রমাণ হিসেবে মার্কিন দূতাবাসে নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন জমা দেওয়ার তথ্য দাখিল করেছেন তিনি। সংবিধানের সংশ্লিষ্ট ধারায় বলা আছে, বিদেশি নাগরিকত্ব পরিত্যাগ করলে তা আর গণ্য হবে না। সে অনুযায়ী তাঁর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।’

শুধু নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদনের ভিত্তিতে মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা যায় কিনা জানতে চাইলে গতকাল সোমবার রাতে আজকের পত্রিকাকে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ‘আমাদের কাছে যে লিগ্যাল ওপিনিয়ন ছিল, তার পাশাপাশি তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেছেন যে তিনি বাংলাদেশের ইউএস অ্যাম্বাসিতে আবেদন করেছেন। তিনি তাঁর পক্ষে দুটি লিগ্যাল ফরম্যাট ওপিনিয়ন দিয়েছেন, যার একটি ফেনী জেলা পাবলিক প্রসিকিউটরের। এগুলোর ভিত্তিতে আমাদের যা মনে হয়েছে, আমরা সেটাই করেছি। এরপরও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আমাদের পরেও অথোরিটি আছেন।’

রিটার্নিং কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আমি নির্বাচন কমিশন ও পিপির মতামত লিখিতভাবে যাচাই করেছি। পিপির মতামত পেয়েছি, তবে নির্বাচন কমিশনের মতামত পাইনি। আমরা সব কর্মকর্তা বসে আলোচনার মাধ্যমে যতটুকু বুঝতে পেরেছি, সে অনুযায়ী কাজ করেছি। এরপরও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য অথোরিটি আছে।’

মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়ায় আবদুল আউয়াল মিন্টু সাংবাদিকদের বলেন, ‘যারা আমার কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে বৈধ ঘোষণা করেছেন তাঁদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমার বিভিন্ন ব্যাংকে ঋণ ও নানা সম্পদ রয়েছে—এসব তাঁরা কষ্ট করে যাচাই করেছেন। ফেনীর মানুষের কল্যাণে কী করা দরকার, আমি জানি। সেগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শেষ বয়সে নির্বাচনে এসেছি।’

হলফনামা অনুযায়ী, ব্যবসায়ী মিন্টুর মোট সম্পদের পরিমাণ ৫০৭ কোটি ৮০ লাখ ৮ হাজার ১৭১ টাকা। গত অর্থবছরে দেশের ভেতরে তার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৫০ লাখ ৭৯ হাজার ৮৯০ টাকা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে ৭ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ও ৪ জনের বাতিল হয়েছে। বৈধ প্রার্থীরা হলেন—বিএনপির আবদুল আউয়াল মিন্টু, জাতীয় পার্টির মো. আবু সুফিয়ান, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. সাইফ উদ্দিন, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. আবু নাছের, বাসদের আব্দুল মালেক এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. খালেকুজ্জামান পাটোয়ারী।

এ ছাড়া বিভিন্ন কারণে ইনসানিয়াত বিপ্লবের মো. হাসান আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের মোহাম্মদ আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী খালেদ মাহমুদ ও মাহবুবুল হক রিপনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

মহাসড়কে কাভার্ড ভ্যানের পেছনে ট্রাকের ধাক্কা, ট্রাকচালক নিহত

ফেনীতে ট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কায় ৮ জন আহত

‘রাফার আব্বু ওঠো, তুমি না থাকলে আমাদের কী হইবো?’

ফেনীতে বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, প্রাণ গেল ৩ জনের

ফেনীতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে যুবদল কর্মী নিহত, আটক ৭

ফেনীতে রাজাঝির দিঘি থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

স্থানীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির পাশাপাশি বিচার নিশ্চিত করতে হবে: নাহিদ ইসলাম

পোকা ধরা বেগুন দিয়ে বেগুনি তৈরি, রেস্তোরাঁর মালিককে জরিমানা

ইরাকে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় তিন বাংলাদেশির মৃত্যু

চাঁদা না পেয়ে সাবেক এমপির ভাইয়ের বাড়িতে আগুন