নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে জেরা মেঘনা ঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যানটিনে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় আমির ব্যাপারী (২৫) নামে আরও একজন মারা গেছেন। তিনি ওই ক্যানটিনের কর্মচারী ছিলেন।
আজ শনিবার সকাল ১০টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আমির ব্যাপারী। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত দু’জন মারা গেছেন।
বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, আমিরের শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। তাঁর শ্বাসনালিও দগ্ধ হয়েছিল। এ ঘটনায় আহত ৬ জনকে বুধবারই ছুটি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রের নাজমুল ১৩ শতাংশ, সুপ্রভাত ঘোষ ১২ শতাংশ, আল আমিন ২২ শতাংশ এবং কাওছার ৫৯ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে ভর্তি আছেন।
গত বুধবার ১৩ মে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জেরা মেঘনাঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্রের ডরমিটরি ভবনের অফিসার্স ক্যানটিনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে জেরা মেঘনাঘাটের ৮ জন ও ক্যানটিনের ৪ জন দগ্ধ হন। তাঁদের রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করানো হয়।
বিদ্যুৎকেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্যানটিনে চুলা থেকে এলপি গ্যাস লিকেজের কারণে ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে।
মৃত আমির ব্যাপারীর ভাই লিটন ব্যাপারী বলেন, জেরা মেঘনা ঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যানটিনে কর্মচারী ছিলেন আমির। শরিয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলার বাসুদেবচাপ গ্রামে তাঁর বাড়ি।
বিস্ফোরণের এই ঘটনায় দগ্ধ শংকর গোমেজ (২৫) গত বৃহস্পতিবার ১৪ মে বার্ন ইউনিটের মারা যান। শংকর জেরা মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেডের ক্যানটিনের শেফ ছিলেন। তিনি নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের চিটাগুড়ি দিয়ারা পাড়া জোসি গোমেজের ছেলে।