রাজধানীতে আজ শুক্রবার বড় দুই দলের পাল্টাপাল্টি সমাবেশকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। পুলিশের বিশেষ ইউনিটের ‘স্পেশাল ফোর্স’ মোতায়েন করা হয়েছে। ঢাকার প্রবেশমুখে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সমাবেশ এলাকার চারপাশে প্রস্তুত রয়েছে সাঁজোয়া যান-জলকামান।
আজ শুক্রবার সকালে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) ড. খ. মহিদ উদ্দিন জানান, সার্বিক নিরাপত্তার জন্য সর্বোচ্চ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে সদস্যরা কাজ করছেন। পুলিশের পাশাপাশি আনসার, র্যাব, এপিবিএনের সদস্যরাও কাজ করছেন।
সূত্রে জানা গেছে, কোনো কারণে মহাসমাবেশ ঘিরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে পুলিশ অভিযান চালাবে। আবাসিক হোটেল, নেতা-কর্মীদের বাসাসহ সম্ভাব্য সব স্থানে পুলিশের উপস্থিতি রয়েছে।
কাকরাইল মোড়, মৎস্য ভবন, পল্টনে বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে ডিএমপির সাঁজোয়া যান, জলকামান, রেকার গাড়ি ও ব্যারিকেড। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে।
এদিকে ঢাকা সদরঘাট এলাকা থেকে সকালে ১২ জন, আমিনবাজার থেকে ৭০ জন, আবদুল্লাহপুর উত্তরা থেকে ৪০ জন, যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে ৩৬ জন, তেজগাঁও, মিরপুর ও গুলশান এলাকা থেকে শতাধিক মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে মাদক মামলাসহ বিভিন্ন ফৌজদারি মামলার আসামি রয়েছে।
র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, সমাবেশ ঘিরে যেকোনো ধরনের নাশকতা এড়াতে রাজধানী ঢাকার প্রবেশপথগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেকপোস্ট মোতায়েন করে গাড়ি তল্লাশি করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, মাঠে গোয়েন্দারা কাজ করছে, জনগণের জান-মালের নিরাপত্তায় ও যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে র্যাবের স্পেশাল ইউনিট।
সমাবেশ ঘিরে কোনো ধরনের হুমকি রয়েছে কি না, জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আমাদের কাছে এই মুহূর্তে তেমন বড় কোনো আশঙ্কা নেই।’
তিনি বলেন, ‘এর জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ, আনসার, র্যাব, এপিবিএন ও বিজিবি স্ট্যান্ডবাই থাকবে। আমরা সব সময় সতর্ক থাকব, যাতে কোনো দুষ্টু চক্র কোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটাতে না পারে।’