দিনে কুকুর আর রাতে শিয়ালের উপদ্রবে অতিষ্ঠ কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরবাসী। জলাতঙ্ক প্রতিরোধে কুকুরকে ভ্যাকসিন দেওয়া হলেও কুকুরের কামড়ে আহত হওয়ার শঙ্কায় উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মানুষ। বেশি আতঙ্ক ছোট শিশুদের নিয়ে।
এ তো গেল দিনের চিত্র, রাতের চিত্র ভিন্ন। কুলিয়ারচরের মানুষ ছোট শিশুদের ঘুম পাড়াতে রাক্ষস-খোক্কস, দৈত্য-দানবের গল্প না বলে শেয়ালের গল্প বলে। শুধু গল্প নয়, শঙ্কাও আছে। এখানে সন্ধ্যা নামলেই শিয়ালের উপদ্রব বেড়ে যায়। দল বেঁধে শেয়াল বাড়ি-ঘরের আনাচে কানাচে ঘোরাফেরা শুরু করে। এতে হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগল এমনকি ছোট শিশুদের নিয়েও ভয়ে আছে বাসিন্দারা। সন্ধ্যার আগেই গবাদিপশু ও ছোট শিশুদের নিয়ে ঘরে চলে আসতে হয়।
শেয়াল-কুকুরের উপদ্রব নিয়ে রমজান মিয়া বলেন, কী আর কইয়াম ভাই, দিনের বেলা কুত্তা আর রাইতে হিয়ালের তাণ্ডবে আমরা আছি বড়ই যন্ত্রণায়। এসবের কারণে পশু-পাখিসহ বাচ্চাদের নিয়ে সারা দিন দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়।
শায়লা আক্তার নামের এক গৃহবধূ বলেন, ছোট বাচ্চাটাকে নিয়ে ভয়ে থাকি। যে পরিমাণ শেয়াল-কুকুর বেড়েছে এলাকায়, না জানি কখন কাকে কামড়ে দেয়! সন্ধ্যার পর শেয়াল বেড়ে যায়।
কুলিয়ারচর উপজেলার পৌর শহরে কুকুর বেশি থাকলেও শেয়াল তেমন একটা নেই। তবে ছয়সূতী, বড় ছয়সূতী, মাটিকাটা, খিদিরপুর, ফরিদপুর, সালুয়া, নলবাইদ, কুঁড়ের পাড়, কামালপুর, কান্দুলিয়া, দাড়িয়াকান্দি, লালপুর, লক্ষ্মীপুর, গোবরিয়া আবদুল্লাহপুর সহ বিভিন্ন গ্রামে শেয়াল-কুকুরের উপদ্রব বেশি।