দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা ২১ কোটি ৭১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগের মামলায় ১১ কাস্টমস কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ রোববার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শাহজাহান কবির তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়েছিলেন কাস্টমসের বর্তমান ও সাবেক এই ১১ কর্মকর্তা। পরে এই আদালত তাঁদের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছিলেন। আজ নিয়মিত হাজিরার দিনে তাঁদের পক্ষ থেকে জামিন স্থায়ী করার আবেদন করা হয়। পরে আদালত এই আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এনবিআরের কাস্টমস বিভাগের সহকারী কমিশনার জাহাঙ্গীর কবির ও মবিন উল ইসলাম; সাবেক সহকারী কমিশনার মো. জয়নাল আবেদীন; রাজস্ব কর্মকর্তা জমির হোসেন, এ এইচ এম নজরুল ইসলাম, আমির হোসেন সরকার, গৌরাঙ্গ চন্দ্র চৌধুরী, ফরিদ উদ্দিন সরকার ও মো. মঞ্জুরুল হক এবং সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার ও বাসুদেব পালক।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন।
পাঁচ দেশে রপ্তানির নামে সাড়ে ১৮ কোটি টাকা পাচার ও প্রণোদনার ৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১১ কাস্টমস কর্মকর্তাসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর মামলাটি করেন দুদকের উপপরিচালক মো. আহসান উদ্দিন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও সিঙ্গাপুরে পণ্য রপ্তানি দেখিয়ে দো এম্পেক্স লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানটির অনুকূলে প্রায় ১৮ কোটি টাকা ব্যাংকে জমা করে। শুধু তা-ই নয়, ৩৪টি রপ্তানি চালানের মূল্য বাবদ প্রণোদনা হিসেবে প্রায় ৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা উত্তোলন ও আত্মসাৎ করা হয়। অথচ বাস্তবে কোনো রপ্তানি হয়নি।