সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করছে বিএনপি। আজ বুধবার দুপুর থেকেই নেতা-কর্মীরা সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেছেন। ঢাকা ও আশপাশের জেলাগুলো থেকে দলে দলে নেতা-কর্মীরা আসছেন। তবে পথে পুলিশের বাধা, গ্রেপ্তার ও হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ করছে দলটি। বেলা ৩টা থেকে সমাবেশ শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে বিএনপির সমাবেশস্থলের মাত্র দেড় কিলোমিটার ব্যবধানে একই সময়ে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে সমাবেশ করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দুপুর দেড়টার পর ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতা-কর্মীরা সমাবেশস্থলে আসা শুরু করেছেন। এই ‘শান্তি সমাবেশ’ থেকে বিএনপিকে কড়া বার্তা দিতে চায় দলটি।
কাছাকাছি স্থানে এবং একই সময়ে সমাবেশ করতে উভয় দলকে ২৩ শর্তে অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে আজ যোগাযোগ করা হলে ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) হায়াতুল ইসলাম খান বলেন, ‘পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি রয়েছে।’
রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন, ‘সম্ভাব্য কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তথ্য এখন পর্যন্ত নেই। তবে আমাদের অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সাদা পোশাকে গোয়েন্দারা নজর রাখছেন।’
এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘সিসি ক্যামেরা, ভিডিও ক্যামেরা, ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। আমাদের আহ্বান থাকবে রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাঁদের কর্মসূচি শেষ করবেন।’