হোম > সারা দেশ > ঢাকা

জাবি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টা: দ্রুত বিচার নিশ্চিতসহ ৫ দাবিতে শিক্ষার্থীদের মশাল মিছিল

জাবি প্রতিনিধি 

পাঁচ দফা দাবি আদায়ে জাবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: আজকের পত্রিকা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় জড়িত অপরাধীকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দ্রুত বিচার নিশ্চিতসহ পাঁচ দাবিতে মশাল মিছিল করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৩ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টারজান পয়েন্ট এলাকা থেকে মশাল মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে প্রক্টর অফিসের সামনে এসে শেষ হয়। এরপর সেখানে তাঁরা অবস্থান নেন। এতে প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এরপর সেখানে সবার উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের পাঁচটি দাবি উত্থাপন করা হয়।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো—অপরাধীকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে; প্রক্টরিয়াল বডিকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে, ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে সম্পূর্ণ প্রক্টোরিয়াল বডিকে পদত্যাগ করতে হবে; ক্যাম্পাসের প্রতিটি প্রবেশপথে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করতে হবে; ক্যাম্পাসে নারী নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ দিতে হবে এবং কুইক রেসপন্স টিমে তাদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।

পাঁচ দফা দাবি আদায়ে জাবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: আজকের পত্রিকা

তবে পাঁচ দফা দাবি ঘোষণার পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা দুই ভাগে ভাগ হয়ে যান। এদের মধ্যে এক অংশ প্রক্টরের পদত্যাগের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ না করে প্রক্টর অফিসের সামনে থেকে চলে এসে নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৫১ ব্যাচের শিক্ষার্থী কাজী মেহেরাব তূর্য বলেন, ‘আমাদের বান্ধবীকে ধর্ষণচেষ্টার প্রতিবাদে আজকে আমরা চেয়েছিলাম সবাই একসঙ্গে রেজিস্ট্রার ভবনে গিয়ে সেখানে উপাচার্য স্যারের কাছে আমাদের দাবিগুলো উত্থাপন করব। কিন্তু আমরা এখানে দেখতে পেয়েছি একটা গ্রুপ আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করে নিজেদের মতো কিছু দাবি তৈরি করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ম্যানুপুলেট করার চেষ্টা করছে। তারা এখানে নিজেদের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।’

গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে জাবির টারজান পয়েন্ট এলাকা থেকে মশাল মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: আজকের পত্রিকা

এ বিষয়ে অর্থনীতি বিভাগের ৫২ ব্যাচের শিক্ষার্থী নাজিহা নাওয়ার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা যারা আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলাম, সেখানে প্রায় ২০ জন মেয়ে মিলে আমরা টারজানে বসে আমাদের দাবিগুলো নিয়ে ড্রাফট করেছি। যারা আন্দোলনে যুক্ত হয়েছে তাদের তো দায়িত্ব যে তারা যে আন্দোলনে শরিক হচ্ছে সেই আন্দোলনের দাবিগুলো কী কী তা জানা? আমরা তো মিছিল শুরুর আগে সবাইকে দাবিগুলো সম্পর্কে অবগত করেছি, এখন তো এই ধরনের কথা আসা উচিত না।’

এরপর রাত ১২টার দিকে আস্তে আস্তে শিক্ষার্থীরা হলে ফিরে যেতে শুরু করেন এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দুই অংশই পুনরায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেয়। এ সময় দুই অংশই উত্থাপিত পাঁচটি দাবির চারটি দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে এবং একটি অংশ প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিটি প্রত্যাখ্যান করেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৫০ ব্যাচের শিক্ষার্থী জিয়া উদ্দিন আয়ান বলেন, ‘আমরা আপাতত প্রক্টরের পদত্যাগ চাচ্ছি না, তবে যদি তাঁরা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে না পারে, সে ক্ষেত্রে আমরা প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগ চাইব।’

এরপর রাত দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসেন অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা। প্রায় দুই ঘণ্টা আলোচনা শেষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো মেনে নেয়। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবিগুলো সম্পন্ন না হলে কঠোর আন্দোলনের ডাক দেবেন বলে জানান শিক্ষার্থীরা।

বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যানটিনে বিস্ফোরণে দগ্ধ ১২: কারণ খতিয়ে দেখার আশ্বাস

তেজগাঁওয়ে লরির ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য ১৮টি বহুতল ভবন নির্মাণ করবে ডিএসসিসি: প্রশাসক

প্রথম দিনে ভোট পড়েছে ১৭৭১, নেই আওয়ামী লীগ প্যানেল

নগরীতে ঘন কালো মেঘের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেল বেইলি রোড

আদালতে আসতে ভালো লাগে, অভ্যাস হয়ে গেছে- শুনানিতে লতিফ সিদ্দিকী

বসুন্ধরা সিটিতে ৯৪ কোটি টাকার সোনা আত্মসাৎ, সাবেক বিক্রয়কর্মী গ্রেপ্তার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, থানায় মামলা

সেই শিশুর পরিবারের অভিযোগ নেই, ঢামেক কর্মচারীকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ

কেরানীগঞ্জে রাস্তার পাশে ময়লা ফেলায় কারাদণ্ড