বাড়ির উঠানে খেলা করছিল চার বছরের দুই শিশু। খেলতে খেলতেই তাদের মধ্যে বেধে যায় ঝগড়া। শিশুদের শান্ত করার বদলে প্রতিবেশীর শিশুকে মারধর শুরু করেন আব্দুর রহমান। বিষয়টি দেখতে পেয়ে ছুটে আসেন ওই শিশুর মা সাবিনা আক্তার পান্না। তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে খুনের শিকার হন পান্না।
আজ বুধবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার নবীগঞ্জ শান্তিরবাগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সাবিনা আক্তার পান্না (২৮) একই এলাকার রাজীব মিয়ার স্ত্রী। অভিযুক্ত আব্দুর রহমান (৩৮) তাঁরই পাশের বাড়ির ভাড়াটিয়া।
নিহত পান্নার প্রতিবেশী ও এক প্রত্যক্ষদর্শী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিকেলে পান্নার বাচ্চা ও আব্দুর রহমানের বাচ্চা উঠানে খেলছিল। হঠাৎ দুজন ঝগড়া শুরু করলে আব্দুর রহমান লাঠি নিয়ে এসে পান্নার বাচ্চাকে মারধর করে। এটা দেখে সে দৌড়ে এসে রহমানকে বলে, ‘‘আপনে আগেও একদিন আমার বাচ্চারে মারছেন। আমার বাচ্চারে মারার অধিকার আপনারে কে দিসে?” এই নিয়ে তর্ক শুরু হইলে পান্না হাতে লাঠি নেয়। ওইটা দেখে আব্দুর রহমান কোদাল নিয়ে তেড়ে আসে। একপর্যায়ে পান্না ভয়ে পিছু হটে মাটিতে পড়ে যায়। ওই অবস্থাতেই তাঁর মাথায় কোদাল দিয়ে কোপ দেয় রহমান।’
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন বন্দর থানার উপপরিদর্শক সামাদ মিয়া। তিনি বলেন, ‘আমরা নিহত নারীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছি। ঘটনার পর ভাড়াটিয়া আব্দুর রহমান পালিয়ে গেছেন। তাঁকে ধরতে আমাদের চেষ্টা চলছে।’