ঢাকা: করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসায় আরেক দফা লকডাউন বা বিধিনিষেধ বাড়িয়েছে সরকার। এসময় চলবে আন্তঃজেলা বাস। খোলা থাকবে শপিংমল। অন্যদিকে বন্ধ থাকবে লঞ্চ, ট্রেন। আজ সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ঈদের আগে গণপরিবহন চালু করা, শপিংমল খোলা রাখা এবং লকডাউন রাখা না রাখা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত দিয়েছেন দুইজন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের সাবেক পরিচালক ডা. বে-নজির আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ঈদের আগে পরিবহন খুলে দেওয়া ঠিক হবে না। পারলে শপিংমলগুলোও বন্ধ করে দেওয়া উচিত।
তিন সপ্তাহের বিধিনিষেধের ফলে করোনার সংক্রমণ কমার যে সুফল পাওয়া গেছে তা ধরে রাখতে ঈদের সময় পোশাক কারখানাগুলো চালু রাখা উচিত বলে মনে করেন তিনি।
অধ্যাপক বে-নজির বলেন, ঈদে গার্মেন্ট বন্ধ হলে মানুষ যেকোনোভাবে গ্রামের বাড়ি যেতে চাইবে। এতে হিতে বিপরীত হবে। ঈদের পরে পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার এলাকাভিত্তিক লকডাউনে যেতে পারে।
আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন মনে করেন, কঠোর স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে এখন সবকিছুই স্বাভাবিক করে দেওয়া উচিত।
এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, রাস্তাঘাটে এখন গণপরিবহন নেই, কিন্তু শপিংমল খোলা। বিভিন্ন দেশে টানা সর্বোচ্চ চার সপ্তাহ করে লকডাউন দেওয়া হয়। তারা নাগররিকদের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেয়। আমাদের এখানে তা কতটা সম্ভব হচ্ছে?
‘তাই কঠোর স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে সবকিছু স্বাভাবিক করে দেওয়া উচিত। মানুষের এখন আগের মতো ধৈর্য নেই। যেকোনোভাবে আমাদের ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।’ মন্তব্য করেন ডা. মুশতাক হোসেন।