জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অপরাধমূলক অসদাচরণের দায়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এ কে এম মমিনুল হক সাঈদকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২-এর বিচারক হামিদুল ইসলাম এ রায় দেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী এস এম আবুল কালাম (আজাদ) রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে মমিনুল হক সাঈদকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং অপরাধমূলক অসদাচরণের দায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া তাঁর ২ কোটি ৯৩ লাখ টাকার ক্রোক করা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে ৫ কোটি ৬০ লাখ ৩৩ হাজার ২২৪ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আসামি পলাতক থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ২০ নভেম্বর দুদকের সহকারী পরিচালক আতাউর রহমান সরকার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ মামলাটি করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ক্যাসিনো ব্যবসাসহ বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সম্পদ অর্জন করেন মমিনুল হক সাঈদ। এসব সম্পদ তাঁর জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ।
তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ১৭ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আতাউর রহমান সরকার আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে আসামির ৫ কোটি ৫০ লাখ ৩৩ হাজার ২২৪ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য তুলে ধরা হয়।
পরে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে ১৩ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।