হোম > সারা দেশ > ঢাকা

আদালত চত্বর থেকে জঙ্গি ছিনতাই: তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ৫ এপ্রিল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকার আদালত চত্বর থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনায় রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা মামলার তদন্তের প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৫ এপ্রিল দিন ধার্য করা হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শান্ত ইসলাম মল্লিক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য করেন।

আজ প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত নতুন তারিখ ধার্য করেন।

গত বছর ২০ নভেম্বর দুপুর সাড়ে বারোটায় দুই জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটার পর রাতে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের এস আই জুলহাস উদ্দিন আকন্দ এই মামলা দায়ের করেন।

মামলায় ছিনতাই হওয়া দুই আসামিসহ ২০ জনকে আসামি করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাত নামা আরও ২০-২১ জনকে আসামি করা হয়।

ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী ট্রাইব্যুনালে মোহাম্মদপুর থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলার শুনানি শেষে কারাগারে থাকা ১২ জন আসামিকে হাজতখানায় নেওয়ার পথে দুজনকে ছিনিয়ে নেয় সহযোগীরা। 

এই মামলায় যাদেরকে আসামি করা হয়েছে তাঁরা হলেন শাহিন আলম, শাহ আলম ওরফে সালাউদ্দিন  বিএম মুজিবুর রহমান, সুমন হোসেন পাটোয়ারী, খাইরুল ইসলাম জামিল, মইনুল হাসান শামীম, আবু সিদ্দিক সোহেল, মোজাম্মেল হোসেন সাইমন, আরাফাত রহমান ওরফে সিয়াম ওরফে সাজ্জাদ, শেখ আব্দুল্লাহ ওরফে জুবায়ের ওরফে যায়েদ, আব্দুস সবুর, রশিদ উন নবী ভুইয়া ওরফে টিপু ওরফে রাসেল, ঈদী আমিন, মেহেদী হাসান অমি, সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হাসান ওরফে মেজর জিয়া ওরফে বড় ভাই, আয়মান, সাব্বিরুল হক চৌধুরী ওরফে কনিক, তানভীর ওরফে শামসেদ মিয়া, রিয়াজুল ইসলাম ওরফে রিয়াজ ও ওমর ফারুক ওরফে নোমান।

মামলায় বলা হয়েছে, প্রথম ১২ জন আসামিকে কারাগার থেকে সন্ত্রাস দমন ট্রাইব্যুনালে আনা হয়েছিল। তাঁরা প্রত্যেকে দুর্ধর্ষ জঙ্গি মেজর জিয়া ও  অন্যান্যদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০ নভেম্বর দুপুরে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রধান ফটকের সামনে থেকে পুলিশের ওপর আক্রমণ করে দুই আসামি ছিনিয়ে নেন। মোহাম্মদপুর থানার মামলায় জামিন প্রাপ্ত আসামি ইদি আমিন ও মেহেদী হাসান ট্রাইব্যুনালে বসেই এই পরিকল্পনা সফল করার প্রস্তুতি নেয়। ট্রাইবুনালে হাজিরা দিয়ে তাঁরা আগে আগে বের হয়ে আসেন এবং অন্যান্য জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামলার পরিকল্পনা সফল করার দায়িত্ব পালন করেন।

মামলার এজাহারে আরও বলা হয়েছে, আসামিরা পুলিশকে হত্যার উদ্দেশ্যে তাঁদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। চারজন পুলিশকে চোখে স্প্রে করে এবং মারধর করে দুই আসামিকে ছিনিয়ে নেন।

জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ফয়সাল আরেফিন ওরফে দীপন হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মইনুল হাসান শামীম ওরফে সামির ওরফে ইমরান ও আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাবকে ছিনিয়ে নেন তাঁর সহযোগীরা। ওই দুই জঙ্গিকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করা যাবে মোবাইল অ্যাপে

মুছাব্বির হত্যা: শুটার জিন্নাতের দায় স্বীকার, তিন আসামি ৭ দিনের রিমান্ডে

অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বনশ্রীর ছাত্রীকে খুন করেন তার বাবার হোটেলের কর্মচারী: র‍্যাব

সন্তানদের অটোপাস চান অভিভাবকেরা, রাজউক কলেজে মানববন্ধন

ব্যবসায়ী আমিরুলের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন ও তাঁর ভাইকে অব্যাহতি

হাদি হত্যার অভিযোগপত্রে আপত্তির বিষয়ে সময় চান বাদী, শুনানি পেছাল ৩ দিন

কুড়িল বিশ্বরোডে রেললাইন থেকে যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

বনশ্রীতে স্কুলছাত্রীকে হত্যা: নিজেদের হোটেলের কর্মচারী আটক

‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ সাভারে এখনো পোড়ানো হচ্ছে ইট

বিদেশে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীর নির্দেশে খুন হন মুছাব্বির, পাঠানো হয় ১৫ লাখ টাকা