দুদকের তদন্ত প্রতিবেদন আসামির হাতে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়েছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে দুদকের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তের নথি আসামির কাছে যাওয়ার বিষয়ে দুদকের কাছে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনকে এই বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
আজ বুধবার শুনানি শেষে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর বেঞ্চ এই আদেশ দেন। দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তের নথি আসামির কাছে যাওয়ার বিষয়ে দুদকের কাছে ব্যাখ্যা তলব করেছেন হাইকোর্ট। এ সময় আদালত বলেছেন, এ যেন সর্ষের মধ্যে ভূত।
৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা অবৈধভাবে অর্জনের অভিযোগে ফরিদপুরের সাবেক পুলিশ সুপার সুভাস চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী রীনা চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন ২০১৭ সালের ২৪ অক্টোবর ওই মামলা করে।
সুভাষ চন্দ্র সাহার আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব আজকের পত্রিকাকে বলেন, ছয় বছরে তিনবার এই মামলায় তদন্ত হয়েছে। তার মধ্যে দুইবারই তাদের বিরুদ্ধে কোনো কিছু পাওয়া যায়নি। এখন চতুর্থবারের মতো তদন্ত চলছে। তাই মামলার কার্যক্রমের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করা হয়েছিল। আদালত শুনানি শেষে কেন মামলা বাতিল করা হবে না- এই মর্মে রুল জারি করেছেন। এ ছাড়া কেন তদন্ত শেষ হচ্ছে না তাও জানতে চেয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা আদালতে বলেছি এটা হয়রানি করার চরম দৃষ্টান্ত। এভাবে আর কত দিন তদন্ত চলবে। পরে আদালত আগামী ২২ নভেম্বর পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন।