হোম > সারা দেশ > ঢাকা

জুলাই শহীদদের স্মরণে ঢাবির কুয়েত মৈত্রী হলে নারী শিক্ষার্থীদের মোমবাতি প্রজ্বলন

ঢাবি প্রতিনিধি

জুলাই শহীদদের স্মরণে শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাবির বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে নারী শিক্ষার্থীরা মোমবাতি প্রজ্বলন করেন। ছবি: আজকের পত্রিকা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ, আন্দোলনের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের নারী শিক্ষার্থীরা মোমবাতি প্রজ্বলন, দেশাত্মবোধক গান ও প্রতিবাদী স্লোগানের মধ্য দিয়ে স্মরণানুষ্ঠান পালন করেছেন।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যায় হল প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল সংসদের উদ্যোগে ‘জুলাইয়ের মৈত্রী হল: মোমবাতি প্রজ্বলন ও সমবেত কণ্ঠে দেশাত্মবোধক গান’ শীর্ষক এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, জুলাই শুধু একটি গণ-আন্দোলনের স্মৃতি নয়; এটি অন্যায়, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে মানুষের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের প্রতীক। তারা জুলাই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

আয়োজকদের মতে, ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত নারী শিক্ষার্থীদের ওপর তৎকালীন ক্ষমতাসীন সরকারের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের হামলার ঘটনাকে স্মরণ করেই এ আয়োজন করা হয়েছে। তারা বলেন, ওই হামলার পরদিন ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী আবু সাঈদ নিহত হন। একই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীদের বের করে দেওয়া হয়। সেই দমন-পীড়ন ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে কুয়েত মৈত্রী হলের শিক্ষার্থীরা যেভাবে মোমবাতি প্রজ্বলন ও দেশাত্মবোধক গানের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন, এক বছর পর একই স্থানে সেই স্মৃতিকে ধারণ করেই আবারও তারা সমবেত হন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক রাফিয়া রেহনুমা হৃদি বলেন, ‘হাজার হাজার মানুষের আত্মত্যাগের জুলাইকে চির অম্লান রাখার দায়িত্ব আমাদের। জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কণ্ঠ সোচ্চার রাখতে হবে। এটা আমাদের কাছে শহীদদের জীবনের আমানত।’

হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সাবেক কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক নিশিতা জামান নিহা বলেন, ‘জুলাই আমাদের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। এটি শুধু একটি আন্দোলন নয়, বরং স্বৈরাচারী শাসন, বৈষম্য এবং সকল ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এ ধরনের আয়োজনের মধ্য দিয়ে জুলাই আমাদের সাহস, ত্যাগ এবং ন্যায়বিচারের প্রতীক হয়ে প্রতি বছর ফিরে আসবে।’

অনুষ্ঠানের বিশেষ সংগঠক, হল সংসদের সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সাবেক কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক তানজিনা তাম্মিম হাপসা বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪ জুলাই “জুলাই নারী দিবস” হিসেবে পালিত হয়ে আসলেও এবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সেটি পালন করতে দেখা যায়নি। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারীদের সংগ্রামী ইতিহাসকে অস্বীকার করার শামিল।’

শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের সহযোগী বাপ্পি গ্রেপ্তার

ব্যারাকের কক্ষে ঝুলছিল পুলিশ কনস্টেবলের লাশ, ফেসবুক পোস্টে ইঙ্গিত

গান–কবিতা–আলোচনায় বদিউর রহমানকে স্মরণ

টাকার জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষকের, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

দেশ গঠনে সাবেক সেনাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে: মেজর (অব.) আফসারী

২৫ ঘণ্টা পর রাস্তা কেটে উদ্ধার হলো ডুবুরির লাশ

ঢাবিতে ছাত্রশিবিরের ‘লীগ ধর’ ম্যারাথন

হাসপাতালে কোনো অনৈতিক কাজ করলে ব্যবস্থা: ডিএনসিসি প্রশাসক

হাজারীবাগে জুতার কারখানায় আগুন

জুলাই গণহত্যার বিচার দাবিতে ঢাবিতে ছাত্রশক্তির কফিন মিছিল