রাজধানীর শাহবাগ থানার অভ্যন্তরে ডাকসু ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির নেতৃবৃন্দের ওপর হামলার অভিযোগে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা কর্মীরা।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে পাঁচটায় উপাচার্যের কার্যালয় সংলগ্ন আব্দুল মতিন ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে তাঁরা স্মারকলিপি জমা দেন এবং পরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবির সভাপতি মহিউদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন খান প্রমুখ।
সম্মেলনে শাখা শিবির সভাপতি মহিউদ্দিন খান বলেন, ‘আমরা আশঙ্কা করছি ছাত্রদল তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আবারও ক্যাম্পাসে তাদের দখলদারি ফিরিয়ে নিয়ে আসতে চায়। কিন্তু আমরা স্পষ্ট করেছি যে, আমরা যত দিন বেঁচে আছি কখনো এটা সম্ভব হবে না। ছাত্রদলের প্রতি করুণা হয় ছাত্রলীগের একজন অ্যাকটিভিস্ট যে ফটোগ্রাফ ছড়াচ্ছে, তারাও সেই ফেইক গুজবগুলো ছড়াচ্ছে। সেই গুজবের আলোকে তারা শাহবাগ থানায় মব করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। তারা ২৪ ঘণ্টা, ৪৮ ঘণ্টা এই ধরনের সময় বেঁধে দিয়েছিল। আজকে প্রায় ৯৬ ঘণ্টা পার হয়ে যাচ্ছে।’
স্মারকলিপিতে দাবি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে—১. উক্ত হামলার ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। ২. সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে চিহ্নিত হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর একাডেমিক ও প্রশাসনিক দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ৩. ক্যাম্পাসে সকল শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। ৪. যেসব শিক্ষার্থী ভুয়া ফটোকার্ড সাইবার স্পেসে ছড়িয়ে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের জীবনের ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে একাডেমিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।