হোম > সারা দেশ > ঢাকা

ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মামুন খালেদ আরেক হত্যা মামলায় রিমান্ডে

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মামুন খালেদ। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির কর্মী মকবুল হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মো. জুনায়েদ এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে জুলাই আন্দোলনের সময় দেলোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় ঢাকার মিরপুর মডেল থানায় করা মামলায় তাঁকে তিন দফা রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয়। ওই মামলায় তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

অন্যদিকে পল্টন থানায় দায়ের করা মকবুল হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের মতিঝিল জোনাল টিমের এসআই তোফাজ্জল হোসেন। আদালত গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মকবুল হত্যা মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর এক দফা দাবি আদায়ের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি। ওই বছরের ৭ ডিসেম্বর ডিবি পুলিশের হারুন অর রশীদ, মেহেদী হাসান ও বিপ্লব কুমার বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ে অভিযান চালান। কার্যালয়ে ভাঙচুর চালান তাঁরা। কার্যালয়ের পাশে থাকা হাজার হাজার নেতা-কর্মীর ওপর হামলা চালান। এতে মকবুল হোসেন নামের এক কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এই ঘটনায় গত ৩০ সেপ্টেম্বর মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে শেখ হাসিনাসহ ২৫৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

শেখ মামুন খালেদকে গত ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ১২টার দিকে ডিবি পুলিশ মিরপুর ডিওএইচএস থেকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন তাঁকে জুলাই আন্দোলনে দেলোয়ার হত্যার ঘটনায় মিরপুর থানায় করা মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। ৩১ মার্চ আরও ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। ৬ এপ্রিল আরও তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। এবার মকবুল হত্যা মামলায় রিমান্ডে নেওয়া হলো।

মকবুল হত্যা মামলার রিমান্ড আবেদনের তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন, অভিযোগের সঙ্গে আসামির সম্পৃক্ততার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। এটি একটি রাজনৈতিক হত্যা মামলা। তিনি এই মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন মর্মে বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে তাঁকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

পশুর হাটের পাশাপাশি এখন ব্যস্ত কামারপাড়া

উত্তরায় ‘কালামানিক-রোনালদো’ তেজগাঁওয়ে ‘মরুভূমির জাহাজ’

রাজধানীর ফুটপাত: ভাগাভাগিতে বাদ পুরোনো হকার

সাভারে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

শাহবাগে শিশু নিপীড়ন ও ধর্ষণবিরোধী সমাবেশে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন

কেরানীগঞ্জে ৩০০ টাকার বিরোধ, ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু

ঢাকার কদমতলীতে অবৈধ স্ট্যান্ড উচ্ছেদে অভিযান

রাস্তায় পশু জবাই নিরুৎসাহিত করল গুলশান সোসাইটি, বর্জ্য ফেলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ

বিচারহীনতার সংস্কৃতি ধর্ষক ও অপরাধীদের আরও বেপরোয়া করছে: মানবাধিকারকর্মী

সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১ জুন