রাজধানীর কলাবাগান এলাকায় আবু হাসান নামের আট বছর বয়সী এক শিশুর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। শিশুটি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি করে তার পরিবার।
আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে শিশুটিকে মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান স্বজনেরা। পরে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালে আবু হাসানের বাবা ইসলাম উদ্দিন জানান, তাঁদের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলায়। বর্তমানে কলাবাগানের কাঁঠালবাগান ফ্রি স্কুল স্ট্রিট এলাকার একটি বাসার চারতলায় ভাড়া থাকেন। তিনি নিজে দিনমজুরের কাজ করেন এবং তাঁর স্ত্রী তাসরিন বেগম বাসাবাড়িতে কাজ করেন। আবু হাসান স্থানীয় একটি স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ত। আবু হাসান ছাড়াও দুই ছেলে-মেয়ে আছে।
ইসলাম উদ্দিনের দাবি, সকালে তিন ছেলে-মেয়েকে ঘরে রেখে দুজনই কাজে বের হন। বিকেলের দিকে তাঁর স্ত্রী তাসরিন বাসায় ফিরে দুই সন্তানকে এক ঘরে দেখতে পান। আরও একটি ঘর ভেতর থেকে ড্রাম দিয়ে আটকানো। তিনি অনেক ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে সজোরে ধাক্কা দিয়ে ভেতরে ঢোকেন। এ সময় তাসরিন আক্তার দেখেন তাঁর ছেলে আবু হাসান ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ঝুলে আছে। এরপর দ্রুত তাকে নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
শিশুটির বাবার দাবি, আবু হাসানের মাথায় একটু সমস্যা ছিল। এর আগেও সে এমন ঘটনা ঘটাতে গিয়েছিল। দেখে ফেলায় করতে পারেনি।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. হাবিবুর রহমান জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি কলাবাগান থানা-পুলিশ তদন্ত করছে।