হোম > সারা দেশ > ঢাকা

একমত না হওয়ায় এজলাস ছাড়লেন বিচারপতি, বিচারকাজ বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দুদকের মামলা শুনানিতে একজন কর্মকর্তাকে সার্বক্ষণিক রাখার বিষয়ে দুই বিচারপতি একমত না হওয়ায় এজলাস ছেড়ে চলে যান একজন বিচারপতি। এ জন্য ওই আদালতে বিচারকাজ বন্ধ রয়েছে। 

আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এস এম মুজিবুর রহমানের বেঞ্চে এ ঘটনা ঘটে। 

এর আগে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার দুদকের আইনজীবীর উদ্দেশে বলেন, এই আদালতে দুদকের অনেক মামলার শুনানি হয়। এই বেঞ্চে দুদকের একজন কর্মকর্তাকে সার্বক্ষণিক রাখা যায় কি না, সেটি দেখতে পারেন। 

বৃহস্পতিবার বিচারকাজ শুরু হলে দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান এর উত্তরে বলেন, আমাকে কমিশন থেকে জানানো হয়েছে, দুদকে জনবলের সংকট রয়েছে। এ কারণে কোর্টে সার্বক্ষণিক একজন কর্মকর্তাকে বসিয়ে রাখা সম্ভব নয়। 

এ সময় বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, দুদকের মামলা যাঁরা ঠিকমতো তদন্ত করতে পারছেন না, তাঁদের কোর্টে এনে বসিয়ে রাখুন। 

তখন বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারপতি এস এম মুজিবুর রহমান বলেন, দুদকের কি আর কাজ নেই, একজন কর্মকর্তা এখানে এসে বসে থাকবেন! এ সময় বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারপতি এত কথা বললে তো সমস্যা। পরে তিনি এজলাস ছেড়ে চলে যান। এরপর থেকেই ওই বেঞ্চের বিচারকাজ বন্ধ রয়েছে। 

এদিকে জানতে চাইলে ওই বেঞ্চের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমনি উদ্দিন মানিক বলেন, এখন দুই বিচারপতি বসে বিষয়টি সমাধান করবেন। আর সমাধান না হলে প্রধান বিচারপতিকে জানালে তিনি বেঞ্চ পুনর্গঠন করে দেবেন।

মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করা যাবে মোবাইল অ্যাপে

মুছাব্বির হত্যা: শুটার জিন্নাতের দায় স্বীকার, তিন আসামি ৭ দিনের রিমান্ডে

অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বনশ্রীর ছাত্রীকে খুন করেন তার বাবার হোটেলের কর্মচারী: র‍্যাব

সন্তানদের অটোপাস চান অভিভাবকেরা, রাজউক কলেজে মানববন্ধন

ব্যবসায়ী আমিরুলের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন ও তাঁর ভাইকে অব্যাহতি

হাদি হত্যার অভিযোগপত্রে আপত্তির বিষয়ে সময় চান বাদী, শুনানি পেছাল ৩ দিন

কুড়িল বিশ্বরোডে রেললাইন থেকে যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

বনশ্রীতে স্কুলছাত্রীকে হত্যা: নিজেদের হোটেলের কর্মচারী আটক

‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ সাভারে এখনো পোড়ানো হচ্ছে ইট

বিদেশে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীর নির্দেশে খুন হন মুছাব্বির, পাঠানো হয় ১৫ লাখ টাকা