হোম > সারা দেশ > ঢাকা

সড়কে যানজট, রেল স্টেশনে ভিড় বাড়ছে মানুষের

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

এবারও ঈদের আগের দিন ভেঙে পড়েছে রেলের স্বস্তিদায়ক যাত্রাব্যবস্থা। গতকাল মঙ্গলবার রাতেই ছাদভর্তি যাত্রী নিয়ে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন ছেড়েছে কয়েকটি ট্রেন। আজ বেলা বাড়ার সঙ্গে বাড়ছে ভিড়। দেখা গেছে একই ধরনের শঙ্কা। এর আগে গত রোজার ঈদেও একই পরিস্থিতি হয়েছে রেলে। সড়কপথে যানজটের কারণে শেষ সময়ে এসে ট্রেনের টিকিটের জন্য ভিড় করছে যাত্রীরা।

আজ বুধবার রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে সকাল থেকে আন্তনগর ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকিটের চাহিদা বেশি ছিল। একই সঙ্গে কমিউটার ট্রেনেও ছিল বাড়তি চাপ। এর আগে গতকাল বিকেলের পর ভেঙে পড়েছিল রেলে বিনা টিকেটের যাত্রীদের স্টেশনে ঢুকতে না দেওয়ার নিরাপত্তাব্যবস্থা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আজও তেমন হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গত তিন দিন ট্রেনগুলোর শিডিউল মোটামুটি ঠিক থাকলেও চতুর্থ দিন ও পঞ্চম দিনে এসে ভেঙে পড়েছে ট্রেনের শিডিউল। এক থেকে দুই ঘণ্টা দেরি করে ছাড়ছে পশ্চিমাঞ্চলের বেশির ভাগ ট্রেন। এর মধ্যে নীলসাগর এক্সপ্রেস দুই ঘণ্টা আর দ্রুতযান এক ঘণ্টা দেরি করেছে। তবে এটাকে শিডিউল বিপর্যয় মানতে রাজি নন ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার মাসুদ সারওয়ার।

তিনি বলেন, একদিকে সকাল থেকে বৃষ্টি ভোগান্তি বাড়াচ্ছে ঘরমুখী যাত্রীদের। আর এক দিন পরই ঈদ। শতভাগ অনলাইনে টিকিট হওয়ার কারণে বাড়ি যেতে অনলাইনে টিকিট কেটেছেন যাত্রীরা। যাঁরা অনলাইন মাধ্যমে টিকিট কাটতে পারেননি, তাঁদের জন্য যাত্রার দুই ঘণ্টা আগে দাঁড়ানো (স্ট্যান্ডিং টিকিট) টিকিটের ব্যবস্থা রেখেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

প্ল্যাটফর্মে দাঁড়ানো ট্রেনগুলোতে দেখা যায়, ট্রেনের সব সিট যাত্রীতে পরিপূর্ণ। স্ট্যান্ডিং টিকিটের যাত্রীরাও উঠেছেন ট্রেনগুলোতে।

স্ট্যান্ডিং টিকিটের লাইনে দাঁড়ানো রংপুরের যাত্রী দুর্জয় খান বলেন, ‘অনলাইনে টিকিট পাইনি। গতবার স্ট্যান্ডিং টিকিটে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু সামনে যে লাইন, তাতে স্ট্যান্ডিং টিকিট পাব কি না তা নিয়ে সন্দেহ।’

নীলসাগর এক্সপ্রেসের এক যাত্রী বলেন, ‘ঈদে উত্তরবঙ্গের মানুষ বাসে গেলে যানজটে পড়ে। এ জন্য সবাই ট্রেনে যেতে চায়। তাই ট্রেনের টিকিট অনলাইনে কেটেছিলাম। সহজেই টিকিট পেয়ে এখন শেষ পর্যন্ত ট্রেনে উঠেছি। যদিও দুই ঘণ্টা দেরি হয়েছে।’

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন সূত্র বলছে, এবার বিক্রি করা মোট আসনের ২৫ ভাগ আসনবিহীন টিকিট বা স্ট্যান্ডিং বিক্রি করা হচ্ছে কমলাপুর কাউন্টার থেকে। আসনবিহীন এই টিকিট পেতে ভোর থেকেই কাউন্টারগুলোর সামনে ভিড় দেখা গেছে টিকিট প্রত্যাশীদের। অনেক যাত্রী স্টেশনের মূল ফটক থেকেও আসনবিহীন টিকিট কাটতে পারছেন।

একই টিকিটে একাধিক যাত্রীর আসন
এদিকে অনলাইনে একই আসনের বিপরীতে একাধিক টিকিট দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। আজকের পত্রিকার কাছে এমন কয়েকটি টিকিটের নমুনা রয়েছে। তাতে দেখা গেছে, দিনাজপুরগামী একতা এক্সপ্রেসের একই আসনে দুইজনের নামে টিকিট কাটা হয়েছে। যিনি আগে এসেছেন তিনি আসন নিজের নামে বরাদ্দ পেয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহজের ভাইস প্রেসিডেন্ট জুবায়ের হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, এটা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। একটি টিকিট একজনের নামে বরাদ্দ করা হচ্ছে।

তবে কেন এমন হলো তার উত্তরে তিনি বলেন, অনেকেই টিকিটের প্রিন্ট কপিতে নাম আর জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর পরিবর্তন করে নিচ্ছেন কম্পিউটারে।

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: মূল নকশার বাইরে চারটি র‍্যাম্প নির্মাণের ভাবনা

মোসাব্বির হত্যা: তদন্তে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ও আধিপত্যে নজর

ফরিদপুরে জামায়াতের প্রার্থীকে শোকজ

প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলা: ৮ আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ

জাজিরায় বোমা বিস্ফোরণে উড়ে গেল বসতঘর, যুবকের মরদেহ উদ্ধার

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মুছাব্বিরের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন

স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা হত্যা: শনাক্ত হয়নি কেউ, স্ত্রীর মামলা

কেরানীগঞ্জে নারী কারারক্ষীর স্বর্ণালংকার ও টাকা ছিনতাই

এনসিপির আধিপত্যবাদবিরোধী মার্চে পুলিশের বাধা

ডেমরায় ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদে অছিম পরিবহনের বাস চলাচল বন্ধ