জামায়াতে ইসলামীর কর্মসূচি ঘিরে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার সকালে জামায়াতের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জামায়াতের অন্তত অর্ধশত নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে যাত্রাবাড়ী এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল বের করলে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন জামায়াতের নেতা-কর্মীরা। সেখানে পুলিশের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন জামায়াতের নেতা-কর্মীরা। এ সময় পুলিশ লাঠিপেটা ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে তাঁরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান।
ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ জিয়াউল আহসান তালুকদার বলেন, পূর্বানুমতি ছাড়াই জামায়াত রাস্তায় বিক্ষোভ মিছিল বের করেছিল। লাঠিপেটা করে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ সময় জামায়াতের ৪০ থেকে ৪৫ জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এ বিষয়ে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘সরকার জনগণের বাক্স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার হরণ করে দেশকে আজ পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আজ সরকারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিনা উসকানিতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের শান্তিপূর্ণ মিছিল ও সমাবেশ শেষে ফেরার পথে পুলিশ অতর্কিত হামলা, রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে এক ভীতিকর পরিস্থিতির অবতারণা করে এবং সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে জামায়াত-শিবির কর্মীসহ অর্ধশতাধিক নিরীহ পথচারীকে গ্রেপ্তার করে। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃত নেতা–কর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।’