হোম > সারা দেশ > ঢাকা

নিউমার্কেটে সংঘর্ষ: বিএনপি নেতা মকবুল কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ব্যবসায়ী ও দোকান কর্মচারীদের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া, মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগে করা মামলায় নিউমার্কেট থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম ইসরাত জাহান তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বুধবারের দুপুরের দিকে মকবুল হোসেনকে আদালতে হাজির করা হয়। একই সঙ্গে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিউমার্কেট থানার পুলিশ পরিদর্শক হালদার অর্পিত ঠাকুর তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে তাঁর জামিনের আবেদন করেন তাঁর পক্ষের আইনজীবীরা। আসামিপক্ষের অনুরোধে জামিন আবেদন শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করে মকবুল হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুটি হত্যা মামলাসহ মোট চারটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় গত শুক্রবার গ্রেপ্তার দেখানো হয় মকবুল হোসেনকে। ওই মামলায় আদালত গত শনিবার তাঁর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তিন দিনের রিমান্ড শেষে বুধবার তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়।

গত ১৮ এপ্রিল দিবাগত রাত ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সংঘর্ষ হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা চলে এ সংঘর্ষ। এর পর রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও গত ১৯ এপ্রিল সকাল ১০টার পর থেকে ফের দফায় দফায় শুরু হয় সংঘর্ষ, যা চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়। দুজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। নিহতদের একজন একটি কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মচারী নাহিদ এবং অন্যজন দোকান কর্মচারী।

পুলিশ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সংঘর্ষের সূত্রপাত নিউমার্কেটের ভেতরে থাকা ওয়েলকাম ও ক্যাপিটাল ফাস্ট ফুড নামের দুই দোকান কর্মচারীর দ্বন্দ্ব থেকে। সেই দোকান দুটি সিটি করপোরেশন থেকে মকবুল হোসেনের নামে বরাদ্দ রয়েছে। রফিকুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম নামে দুজন এই দোকান চালাতেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ওই দিনের সংঘর্ষে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন মকবুল হোসেন। তিনিই এই মামলার এজাহারভুক্ত এক নম্বর আসামি।

পুলিশ প্রতিবেদনে গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। যুক্তি হিসেবে বলা হয়, এ ঘটনার সঙ্গে আরও কারা জড়িত, তা শনাক্তের জন্যই এ জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে দুটি মামলা করে। একটি মামলা বিস্ফোরক আইনে এবং অন্যটি পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে করা হয়। দুই মামলাতে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী, কর্মচারী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীসহ মোট ১২০০ জনকে আসামি করা হয়। এ ছাড়া সংঘর্ষে নিহত নাহিদের বাবা মো. নাদিম হোসেন ও মুরসালিনের ভাই নুর মোহাম্মদ বাদী হয়ে নিউমার্কেট থানায় দুটি হত্যা মামলা করেন। এই চার মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৪০০ জনকে।

মামলাগুলোর মধ্যে শুধু পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় বিএনপি নেতা মকবুলসহ ২৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ মামলার বাদী নিউমার্কেট থানার পুলিশ পরিদর্শক ইয়ামিন কবীর। এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন—আমির হোসেন আলমগীর, মিজান, টিপু, হাজি জাহাঙ্গীর হোসেন পাটোয়ারী, হাসান জাহাঙ্গীর মিঠু, হারুন হাওলাদার, শাহ আলম শন্টু, শহিদুল ইসলাম শহিদ, জাপানি ফারুক, মিজান ব্যাপারী, আসিফ, রহমত, সুমন, জসিম, বিল্লাল, হারুন, তোহা, মনির, বাচ্চু, জুলহাস, মিঠু, মিন্টু ও বাবুল।

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীর ছিনতাই হওয়া অস্ত্র উদ্ধার

মসজিদভিত্তিক শিক্ষা প্রকল্পের কর্মকর্তা রাশেদুলের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারে পাঁচ মাসে মিলল ৫ লাশ, শনাক্ত হয়নি, গ্রেপ্তারও নেই

ডাকসুর কনসার্টে বিনা মূল্যে সিগারেট বিতরণ ও ‘ইউরেনিয়াম’ স্লোগান নিয়ে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া

তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম, ফোনে আবার হত্যার হুমকি

রাজধানীর গুলশানে ঘর থেকে তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

নীতিসহায়তা না পেলে ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ঝুঁকিতে পড়বে

কেরানীগঞ্জে রাতের আঁধারে মাটি লুট, গ্রেপ্তার ১

মৌখিক পরীক্ষার দেড় মাস পরও ফল প্রকাশ হয়নি, হতাশায় পরীক্ষার্থীরা

উত্তরায় মাইক্রোবাসে এসে প্রাডো গাড়িসহ এক ব্যক্তিকে অপহরণ, নিরাপত্তাকর্মীর অস্ত্র লুট