জিরাবো উচ্চ বিদ্যালয় ও দেওয়ান ইদ্রিস কলেজ সাভারের আশুলিয়া এলাকার ইয়ারপুর ইউনিয়নের পাশাপাশি দুইটি ভোটকেন্দ্র। জিরাবো উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন নারীরা আর দেওয়ান ইদ্রিস কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন পুরুষ ভোটারেরা।
বেলা দেড়টার দিকে কেন্দ্রে দুইটিতে গিয়ে লাইনে দাঁড়ানো কোন ভোটার পাওয়া যায়নি। ভোট কক্ষগুলোও ছিল ফাঁকা। ভোটার না থাকায় সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, পোলিং অফিসার ও প্রার্থীদের এজেন্টরা ভোট কক্ষে বসে নিজেদের মধ্যে গল্প–গুজব করছিলেন।
জিরাবো উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের মোট ভোটারের সংখ্যা ৩ হাজার ২২২ জন। বেলা দেড়টা পর্যন্ত এই কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ১ হাজার ১১৬ টি। বেলা পৌনে দুইটার দিকে ওই কেন্দ্রের ২ নম্বর ভোট কক্ষে গিয়ে কোনো ভোটার পাওয়া যায়নি। ভোটার না থাকায় ফাঁকা ভোট কক্ষে বসে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম, দুই পোলিং অফিসার এবং ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্ট দেওয়ান নুসরাত জাহান গল্প করছিলেন। কক্ষটিতে অন্য কোন প্রার্থীর এজেন্ট ছিলেন না।
সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম জানান, তাঁর কক্ষে মোট ভোটারের সংখ্যা ৪৬৮ জন। এর মধ্যে একটা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ১১২ টি। তিনি বলেন, ‘সকাল থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ভোটারদের চাপ ছিল। ১১টার পরে ভোটারদের চাপ কমতে থাকে। এখন (বেলা পৌনে দুইটা) একজন ভোটারও নেই।’
কেন্দ্রটির আরও ছয়টি কক্ষে গিয়ে একই চিত্র পাওয়া যায়।
কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা এসএম বশির উদ্দিন বলেন, ‘সকালের দিকে ভোটারদের চাপ থাকলেও একটার পরে কোন ভোটার আসেনি। এ কারণে ভোট কক্ষগুলো ফাঁকা। তবে বিকেলের দিকে কিছু ভোটার আসতে পারেন।’
পাশের দেওয়ান ইদ্রিস কলেজে গিয়েও একই চিত্র পাওয়া যায়। কেন্দ্রটির সাতটি ভোট কক্ষের মধ্যে ছয়টি কক্ষই ছিল ফাঁকা। কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘কেন্দ্রটিতে মোট ভোটারের সংখ্যা ৩ হাজার ৬৫৯ জন। এর মধ্যে বেলা দেড়টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ১ হাজার ৪৬০ টি। বেলা ১১টার পর থেকে ভোটারের উপস্থিতি কমতে শুরু করে।’
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী ঢাকা-১৯ আসনে মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ২৭৫টি এবং ভোটার ৭ লাখ ৪১ হাজার ৫৫২ জন। সাভারের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সরকারি রিটার্নিং অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘২৭৫টি কেন্দ্রে বেলা দুইটা পর্যন্ত ৩৬ দশমিক ২৩ পার্সেন্ট ভোট পড়েছে।’