গাজীপুরের শ্রীপুরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর লুটপাটের ঘটনার চার দিন পর মামলা নিয়েছে পুলিশ। মারধর ও হামলার ঘটনার সিসিটিভির ফুটেজের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে টনক নড়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরপর ভুক্তভোগীকে থানায় ডেকে এনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা নেয়।
এ ঘটনার স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালামের ছেলেসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। আজ মঙ্গলবার রাতে শ্রীপুর থানায় মামলাটি দায়ের আব্দুল্লাহ আজাদ নামে এক যুবক।
ভুক্তভোগী আব্দুল্লাহ আজাদ উপজেলার কেওয়া পশ্চিমখন্ড গ্রামের আবুল কালাম আজাদের ছেলে।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন, মো. শিমুল (২২), আল আমিন (২৩), স্বাধীন (২৪), রিফাত (২০), মৃধুল বেপারী (২৫) ও বেলাল সরকার (৫০)। তাঁদের সবার বাড়ি উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের মুলাইদ গ্রামে।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, পাঁচ থেকে ছয়জন যুবক হলুদ রঙের পাঞ্জাবি পড়ে মোটরসাইকেল করে এসে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অনধিকার প্রবেশ করে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু ও ভাঙচুর করে টেবিলে রাখা নগদ অর্থ নিয়ে যান। যা সিসিটিভি ক্যামেরায় পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে।
ভুক্তভোগী আব্দুল্লাহ আজাদ বলেন, ‘গত ৬ অক্টোবর রাত সাড়ে ৯টার দিকে অভিযুক্তরা হলুদ রঙের পাঞ্জাবি পড়ে আমার পরিচালিত অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ডিস্ট্রিবিউটর ও ডিলার অফিসে হামলা চালায়। এ সময় আমিসহ অফিসে থাকা অনন্য কর্মচারীদের এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে সব ভাঙচুর করে নগদ অর্থ লোপাট করে নিয়ে যায়।’ এরপর আহত সবাইকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সুস্থ হয়ে সিসিটিভির ফুটেজ খোঁজে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে বিচার দাবি করলে পুলিশ আজ রাতে মামলা নেয়।’
অভিযুক্ত বেলাল সরকারের বক্তব্য নিতে তাঁর ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, ‘হামলার ঘটনায় মামলা রুজু হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজের তথ্য অনুযায়ী অভিযুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার করতে কাজ করছে পুলিশ। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাঁদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’