হোম > সারা দেশ > ঢাকা

সাদিক কায়েমের মেয়র প্রার্থিতা নিয়ে ঢাবি শিক্ষার্থীদের মিশ্র–প্রতিক্রিয়া

ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র–শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি)। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে মেয়র পদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েমের নাম প্রস্তাবের খবরকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেক শিক্ষার্থী তাঁর সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, কেউ কেউ বিষয়টিকে রাজনৈতিক স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বলেও মন্তব্য করেছেন।

গতকাল শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মী সম্মেলনে কয়েকজন নেতার পক্ষ থেকে সাদিক কায়েমের নাম প্রস্তাব করা হয়। তবে দলটির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।

এ দিকে, ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ মনে করেন, ডাকসুর ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় সিটি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগে তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা উচিত। বিজয় ৭১ হলের শিক্ষার্থী মো. আব্দুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচনের সময় শিক্ষার্থীদের কাছে যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সেগুলোর অনেকই এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। আগে সেগুলো পূরণ করা জরুরি, তারপর অন্য নির্বাচনের কথা ভাবা উচিত।’

মাস্টারদা সূর্যসেন হলের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান বলেন, ‘একজন ভিপি হিসেবে তাঁর প্রথম দায়িত্ব হওয়া উচিত ক্যাম্পাসের সমস্যাগুলো সমাধান করা। যদি তিনি সত্যিই শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হন, তাহলে মেয়র নির্বাচন নয়—ডাকসুর কার্যক্রমকে কার্যকর করাই তার অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। তবে রাজনৈতিকভাবে কেউ বড় পরিসরে কাজ করতে চাইলে সেটাও পুরোপুরি অস্বাভাবিক নয়, কিন্তু সময়টা গুরুত্বপূর্ণ।’

তবে এ বিষয়ে তীব্র বিরোধিতাও রয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী মনে করছেন, দায়িত্বে থাকা অবস্থায় সিটি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার চিন্তা নৈতিক ও দায়িত্বশীলতার প্রশ্ন তোলে। শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আাকিব হোসেনের মতে, ‘ডাকসুর ভিপি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে এখনো পূর্ণ মেয়াদ শেষ হয়নি, এমন অবস্থায় অন্য নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা–অবিচার।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘যে দায়িত্ব নিয়ে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন, সেটির প্রতি পূর্ণ মনোযোগ না দিয়ে অন্য রাজনৈতিক লক্ষ্য নিয়ে এগোনো ঠিক নয়। এতে ডাকসুর কার্যক্রম আরও দুর্বল হয়ে পড়বে।’

কিছু শিক্ষার্থী এটিকে ‘স্বার্থের সংঘাত’ হিসেবেও দেখছেন। তাদের মতে, একজন দায়িত্বশীল ছাত্রনেতার উচিত আগে তাঁর অর্পিত দায়িত্ব সফলভাবে শেষ করা, তারপর বৃহত্তর রাজনীতিতে অংশ নেওয়া। অন্যথায় এটি শিক্ষার্থীদের আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে।

অন্যদিকে, সাদিক কায়েমের প্রার্থিতা নিয়ে বিভ্রান্তির মধ্যে গতকাল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, সংগঠনের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় কোনো সদস্যের অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

তবে এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘কেউ প্রস্তাব দিতেই পারে, তবে এটি কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। কেন্দ্রীয়ভাবে অনুমোদনের পরই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।’

ডেমরায় ট্রাকচাপায় নিহত মোটরসাইকেল আরোহী সোহরাওয়ার্দী কলেজের ছাত্র আলিফ

বোরকা পরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুন, হদিস নেই ৮৩ ল্যাপটপের: পুলিশ

দিনদুপুরে বাবার কাছ থেকে মেয়েকে অপহরণ, গ্রেপ্তার তরুণ কারাগারে

ডেমরায় উল্টোপথে আসা ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

বৃষ্টিতেই ধুয়ে গেল ঢাবির সূর্যসেন হলের নতুন করা রং

‘জ্বালানির ফাঁদে’ আটকে পড়ার ঝুঁকিতে অর্থনীতি

ফের ৩ দিনের রিমান্ডে আফজাল নাছের, ৩৪ দিনে ১১ বার

থানা থেকে লুট হওয়া হাতকড়া ব্যবহার করছিল ডাকাত দল

নারী ও শিশু নির্যাতনের ৭০ শতাংশ মামলাতেই আসামি খালাস: গবেষণা

ধানমন্ডিতে নিজ বাড়ির পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার