রাজধানীর কদমতলীর দনিয়ায় স্কুলের চাপে ছাত্রীর আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র ব্রাইট স্কুলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মারধরে আহত হয়েছেন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটন।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে আহত অবস্থায় মাসুদ হাসানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ল্যাবএইড হাসপাতালে নেওয়া হয়।
হাসপাতালে মো. পারভেজ নামের এক শিক্ষার্থী জানান, গতকাল বুধবার সাবিকুন নামের স্কুলের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী গলায় ফাঁসি নিয়ে আত্মহত্যা করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ সকাল থেকে অভিভাবক ও স্কুলের কিছু শিক্ষার্থী স্কুলের চেয়ারম্যান ও অধ্যক্ষ মাসুদ হাসানকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। একপর্যায়ে দুপুরের পর মাসুদ হাসানকে মারধর শুরু করেন তাঁরা। পরে পুলিশের সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়।
কদমতলি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সহিদুল হাসান বলেন, সকালে দনিয়ার অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা স্কুলের শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করেন। একপর্যায়ে বিকেলের দিকে স্কুলের চেয়ারম্যান মাসুদ হাসানকে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাঁকে উদ্ধার করেছে। এরপর চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁকে ল্যাবএইড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।