নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ধর্ষণের ভিডিও প্রকাশ এবং সালিসে অপমানের পর আত্মহত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শামসুর রহমানের আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে, গ্রেপ্তারকৃত কলাগাছিয়া ইউপির মেম্বার আব্দুল মমিন কচি ও দবির হোসেনকে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বিষয়টি সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, ‘এই মামলায় বাদী ৯ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। আমরা কচি মেম্বার ও দবির হোসেন নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি, উভয়কে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’
গ্রেপ্তারকৃত দবির হোসেন বন্দরের আলীনগর এলাকার মৃত আউয়ালের ছেলে এবং আব্দুল মোমেন ওরফে কচি কলাগাছিয়া ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। ধর্ষণের মামলার পর মীমাংসা করার জন্য বসানো সালিসে উপস্থিত ছিলেন এই দুই আসামি। ইউপি সদস্যের উপস্থিতিতে জনসম্মুখে ধর্ষণের ভিডিও সকলকে দেখানো হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।
মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন—বন্দরের বালিয়া এলাকার বাসিন্দা ও ধর্ষণে অভিযুক্ত নুরুল আমিন (৪২), তাঁর স্ত্রী শ্যামলী (৩৮), তাওলাদের ছেলে ইব্রাহীম (৪০) ও ইস্রাফিল (৩৫), আলাউদ্দিনের ছেলে বাবুল (৪৫), আহাম্মদের ছেলে আরমান (৪০) ও আবুল কাশেমের ছেলে পলাশ (৩০)।