হোম > সারা দেশ > ঢাকা

উপাচার্যের পদত্যাগ চেয়ে জবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ

জবি প্রতিনিধি‎

জবির শান্ত চত্বর থেকে মিছিল শুরু করে বিজ্ঞান ভবন ঘুরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে শাখা ছাত্রদল। ছবি: আজকের পত্রিকা

‎সাংবাদিকদের ওপর হামলায় প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক আচরণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। এ সময় হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার না পাওয়া এবং শিক্ষার্থীদের আবাসন ভাতা চালু করতে না পারার দায়ে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করেছে তারা। আজ ‎রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্ত চত্বর থেকে মিছিল শুরু করে বিজ্ঞান ভবন ঘুরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ হয়।

‎এ সময় শিক্ষার্থীরা–‘মানি না মানব না, অথর্ব প্রশাসন’, ‘দলকানা প্রশাসন, মানি না–মানব না’, ‘সাংবাদিকদের ওপর হামলা কেন, প্রশাসন জবাব দে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

‎বিক্ষোভ সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে আমরা কোনো সাংবাদিক সংগঠনের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করিনি। তবে জামায়াত ও শিবিরের নেতা–কর্মীরা গোপন রাজনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে এসব সংগঠন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গেছে। তিনি দাবি করেন, সাংবাদিকদের একটি অংশকে বাইরে রেখে ‘পাতানো নির্বাচন’ এর মাধ্যমে সমিতি দখল করা হয়েছে।

জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক অভিযোগ করে বলেন, জামায়াত-শিবিরের প্রেসক্রিপশনে বর্তমান উপাচার্য সাংবাদিক সমিতির জন্য নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করেছেন, যেখানে শিক্ষক সমিতির সভাপতিকে উপদেষ্টা পরিষদ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। পূর্ববর্তী কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তড়িঘড়ি করে নির্বাচন দেওয়া হয়, যাতে শিবির ও জামায়াতপন্থী সাংবাদিকদের নেতৃত্বে আনা যায়।

‎হিমেল বলেন, ‘আমরা ভিসি স্যারকে বলেছিলাম, সবাইকে নিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন দেওয়ার জন্য। কিন্তু তিনি তা করেননি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৫ মার্চ জামায়াত-শিবিরের নেতৃত্বে সাংবাদিকদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলা হয়।’

এই হামলার দায় পুরোপুরি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বর্তমান প্রশাসনের ওপর বর্তায় উল্লেখ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

‎আবাসন ভাতার প্রসঙ্গ টেনে হিমেল বলেন, ‘জবিয়ানদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল আবাসন ভাতা। সেই দাবিতে তারা টানা তিন দিন যমুনার সামনে আন্দোলন করেন। আন্দোলনের ফল হিসেবে বিশেষ বৃত্তির ঘোষণা এলেও এক বছর পেরিয়ে গেলেও বর্তমান প্রশাসন তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি।’

‎তিনি বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, হয় বিশেষ বৃত্তি দ্রুত প্রদান করতে হবে, না হলে প্রশাসনকে পদত্যাগ করতে হবে।’

‎বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন অভিযোগ তুলে বলেন, সাংবাদিকদের ওপর জামায়াত–শিবিরের যে ন্যক্কারজনক হামলা হয়েছে, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এই হামলার পেছনে জামাতপন্থী ভিসির দায় আছে। এ হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো তদন্ত কমিটি করা হয়নি। এ হামলার দায় এবং শিক্ষার্থীদের বৃত্তি চালু করায় দায় নিয়ে ভিসিকে পদত্যাগ করতে হবে।

‎এ সময় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, জাফর আহমেদ, সুমন সরদার, মো. মোস্তাফিজুর রহমান রুমি, মো. শাহরিয়ার হোসেন, মাহমুদুল হাসান, রবিউল আউয়াল, নাহিয়ান বিন অনিক, শাখাওয়াত হোসেন পরাগ, মিয়া রাসেলসহ ছাত্রদলের শতাধিক নেতা–কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

‎উল্লেখ্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবকাশ ভবনের তৃতীয় তলায় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে সংবাদকর্মীসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। এ ঘটনায় শিবির এবং ছাত্রদল পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ তোলেন। হামলার পরে সমিতির নির্বাচন স্থগিত করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

৪ হাজার ৩৬৪টি ইয়াবা নিয়ে সৌদি আরব যাচ্ছিলেন সাইদুল, বিমানবন্দরে আটক

দুদক মহাপরিচালকের আইফোন ছিনতাই: ২ জন কারাগারে

ফেসবুক আইডি কেন ডিঅ্যাকটিভ করেছেন—জানালেন ইনকিলাবের জুমা

মিরপুরে বহুতল ভবনে আগুন: দুজনের মৃত্যু

ডিএসসিসির কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমল

ঈদে গণপরিবহনে চাঁদা আদায় করতে দেওয়া হবে না: সাইফুল আলম

কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী এক আসামির ঢামেকে মৃত্যু

বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি: সাবেক চেয়ারম্যান বাচ্চুসহ ১৬ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

মিরপুরে বহুতল ভবনে আগুন: নিয়ন্ত্রণে পাঁচ ইউনিট

রমনা এলাকায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালকের মৃত্যু