‘এখন সবাই ক্লান্ত। সেই সুযোগে শেষ সময়ে ভোট কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা হতে পারে। তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী এবং সরকারের প্রতি অনুরোধ থাকবে, আপনারা সবাই সজাগ থাকবেন।’ আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরার বিএনএস সেন্টারের সামনে দুপুর সোয়া ২টায় এক বাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানান ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপি নেতা আরিফুল ইসলাম।
বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘কুর্মিটোলা হাই স্কুল এবং বরুয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কিছু কেন্দ্রে শাপলাকলি প্রতীকের এজেন্টদের নানাভাবে হেনস্তা করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ ১৮–২০টি কেন্দ্রের চারপাশে বিএনপি প্রার্থী এসএম জাহাঙ্গীরের প্রচুর নেতা-কর্মী দলীয় জ্যাকেট ও আইডি কার্ড পরে অবস্থান নিয়েছেন। তারা ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। তারা কেন্দ্রের ভেতরে বারবার প্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছেন। নির্বাচনের শেষ সময়ে কেন্দ্রগুলোতে একটি হুলুস্থুল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।’
নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, পোলিং এজেন্টরা কোনো দলীয় প্রতীক ব্যবহার করতে না পারলেও অধিকাংশ কেন্দ্রে বিএনপি প্রার্থী এসএম জাহাঙ্গীরের এজেন্টরা ধানের শীষ প্রতীক ও তারেক রহমানের ছবি সংবলিত আইডি কার্ড ব্যবহার করছেন।’
শাপলা কলির এই প্রার্থী বলেন, ‘প্রিসাইডিং অফিসাররা তাদের এই কাজ থেকে বিরত রাখেননি। এমনকি অনেক সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার এই নিয়মটি জানেন না। তাদের পর্যাপ্ত ট্রেনিংয়ের অভাব রয়েছে।’
সকাল থেকেই শাপলা কলির এই প্রার্থী উত্তরা হাই স্কুল, মালেকা বানু স্কুল, মাওসাইদ ময়নারটেক, আনোয়ার স্কুলসহ প্রায় ৮–১০টি নির্বাচনী কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, ‘ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে ভোটকেন্দ্রে এসেছেন, যা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য আশাব্যঞ্জক।’