নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনে একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধের ঘটনায় বুলবুলি বেগম (৪০) নামে আরও একজন মারা গেছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তাঁর মৃত্যু হয়। এর আগে গতকাল সন্ধ্যায় মারা যান বুলবুলির স্বামী আব্দুস সালাম মণ্ডল (৫০)।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক তারিকুল ইসলাম বলেন, বুলবুলির শরীরের ২৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল। গতকাল সোমবার সন্ধ্যার দিকে ৭০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে মারা যান আব্দুস সালাম মণ্ডল। এই ঘটনায় টুটুল ৬০ শতাংশ, সোনিয়া ৪৫ শতাংশ, শিশু মেহজাবিন ৩৫ শতাংশ নিয়ে ইনস্টিটিউটে ভর্তি আছে।
এর আগে গত শুক্রবার ভোরে ফতুল্লা কাশিপুর এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনা ঘটে। পরে তাঁদের উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
দগ্ধরা হলেন রিকশাচালক আব্দুস সালাম মণ্ডল (৫০), তাঁর স্ত্রী বুলবুলি বেগম (৪০), ছেলে মো. টুটুল হোসেন (২৫), মেয়ে সোনিয়া আক্তার (২৭) ও সোনিয়া আক্তারের মেয়ে মেহজাবিন আক্তার (৭)।
তাঁদেরকে হাসপাতালে নিয়ে আসা মো. সোহাগ বলেন, তাঁদের বাসা ফতুল্লার কাশিপুর এলাকায়। গত বৃহস্পতিবার রাতে তাঁরা সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোরে হঠাৎ আগুন আগুন চিৎকার শুনে আশপাশ থেকে তাঁরা ছুটে যান। তখন আগুন নিভিয়ে দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
তিনি আরও জানান, ধারণা করা হচ্ছে, চার্জার ফ্যান থেকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের মাধ্যমে ঘরে আগুন ধরে যায়।
সালামের ভাতিজা মো. আল আমিন জানান, তাঁদের গ্রামের বাড়ি নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলায়। তাঁরা নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা উপজেলার কাশিপুর এলাকায় ভাড়া থাকেন। সোনিয়া শ্বশুরবাড়ি নারায়ণগঞ্জ বন্দর এলাকায় থাকেন। কয়েক দিন আগে মেয়ে মেহজাবিনকে নিয়ে বেড়াতে আসেন তিনি।